উদ্দীপকের B হলো ডিম্বাণু। ডিম্বাণু ছাড়াও উদ্ভিদের প্রজনন সম্ভব। যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ এক বা একাধিক উদ্ভিদ তৈরি করে, তাকে উদ্ভিদ প্রজনন বলে।তিনটি উপায়ে উদ্ভিদের প্রজনন ঘটে, যথা-যৌন জনন, অযৌন জনন ও অঙ্গজ জনন।শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে যে বংশবৃদ্ধি হয় সেটি যৌন জনন।শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ছাড়া অন্য সব ধরনের বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া হলো অযৌন জনন প্রক্রিয়া।কোনো ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খণ্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে তাকে অঙ্গজ জনন বলে। ডিম্বাণু ও শুক্রাণু ছাড়াও প্রজনন ঘটতে পারে অ্যাপোগ্যামির মাধ্যমে।
ডিম্বাণু ছাড়া ভ্রূণথলির অন্য যেকোনো কোষ যেমন- সহকারি কোষ, প্রতিপাদকোষ ইত্যাদি থেকে ভ্রণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে অ্যাপোগ্যামি বলে। এক্ষেত্রে নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। অ্যাপোগ্যামিতে, গ্যামেটোফাইট নিষিক্তকরণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাইপাস করে এবং সরাসরি একটি স্পোরোফাইটে বিকশিত হয়। এটি বিভিন্ন কারণের কারণে ঘটতে পারে, যেমন নিষিক্তকরণের ব্যর্থতা বা গ্যামেটোফাইটের নির্দিষ্ট কোষের সক্রিয়করণ যা নিষিক্তকরণ ছাড়াই স্পোরোফাইটে বিকাশ করতে সক্ষম। কিছু ফার্ণ, শ্যাওলা, Allium ইত্যাদিতে অ্যাপোগ্যামি দেখা যায়।সুতরাং বলা যায়, ডিম্বাণু ছাড়াও প্রজনন ঘটতে পারে।