কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে A ও B এর মিলন ঘটিয়ে অর্থাৎ পুং গ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ঘটিয়ে ফসলের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে বুনো প্রজাতির রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আবাদী ফসলী উদ্ভিদের মধ্যে স্থানান্তর সম্ভব। এভাবে রোগ প্রতিরোধী ফসলী জাত উদ্ভাবন করে ফসলের ফলন বাড়ানো যায়। এছাড়া অল্প সময়ে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য ফসলের আবাদকাল কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত করা যায়, ফলে একই ফসল বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে দেশের মোট খাদ্য উৎপাদন অনেকগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জিডিপিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ৩০ জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান কৃষকের নিকট পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। উন্নত মান সম্পন্ন বুনো জাতের সাথে ফসলী উদ্ভিদকে কৃত্রিম সংকরায়ন ঘটিয়ে ফসলী জাতকে উন্নত মানের জাতে পরিণত করা যায়। এভাবে ধান, গমের পাশাপাশি তৈল বীজ, ডাল, আঁশজাতীয় ফসল, আখ, শাকসবজি ও ফলজ উদ্ভিদের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।