উদ্দীপকের উদ্ভিদটি হলো pteris। Pteris-এর জীবন চক্রের স্পোরোফাইট পর্যায় দীর্ঘ, গ্যামিটোফাইট পর্যায় বেশ সংক্ষিপ্ত এবং উভয় পর্যায় আকার-আকৃতিতে ভিন্ন প্রকৃতির ও স্বতন্ত্র। তাই এরূপ জনুঃক্রমকে বিষমাকৃতির বা হিটারোমরফিক জুনক্রম (heteromorphic alternation of generation) বলে ।
যে জনুঃক্রমে রেণুধর বা স্পোরোফাইটিক এবং লিঙ্গধর বা গ্যামিটোফাইটিক, দুটি দশাই সমান তাকে ডিপ্লোবায়োন্টিক জনুঃক্রম বলে। আবার যে ডিপ্লোবায়োন্টিক জনুঃক্রমে রেণুধর ও লিঙ্গধর দশারূপে আকার-আকৃতিগতভাবে ভিন্ন ধরনের হয় তাকে হিটারোবায়োন্টিক জনুঃক্রম বলে।
কোনো জীবের জন্মাবস্থা থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি, বিকাশ, জনন প্রভৃতি পর্যায় অতিক্রম করে পুনরায় ঐ অবস্থার পুনর্জন্ম দেওয়ার চক্রীয় ধারাকে ঐ জীবের জীবন চক্র বলে।
কোনো জীবের জীবন চক্র সম্পন্ন করার জন্য পর্যায়ক্রমে ডিপ্লয়েড (2n) বা স্পোরোফাইট (রেণুধর) এবং হ্যাপ্লয়েড (n) গ্যামিটোফাইট (লিঙ্গধর) জনুর আবির্ভাবকে জনুক্রম বলে। Pteris উদ্ভিদের জীবন চক্রে সুস্পষ্টভাবে দুটি জনুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে। একটি হলো স্পোরোফাইটিক জনু এবং অপরটি হলো গ্যামিটোফাইটিক জনু।
নিচে Preris-এরজনুক্রম বর্ণনা করা হলো।
স্পোরোফাইটিক জনু (Sporophytic generation): Pteris-এর উদ্ভিদদেহ স্পোরোফাইটিক অর্থাৎ ডিপ্লয়েড (2n))) স্পোরোফাইট প্রজনন ঋতুতে পরক কিনারা বরাবর সোরাস উৎপন্ন করে। সোরাস হলো স্পোরাঞ্জিয়ামের গুচ্ছ। প্রতিটি স্পোরাঞ্জিয়ামের ক্যাপসিউলের ভেতরে ১৬টি ডিপ্লয়েড স্পোর মাতৃকোষ (2n) থাকে।