“উল্লিখিত পদ্ধতির সফল প্রয়োগের ফলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ”- উদাহরণসহ উক্তিটির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়ার সফল প্রয়োগের ফলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ- নিম্নে উদাহরণসহ উক্তিটির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো- বর্তমান বাংলাদেশে কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে বুনো প্রজাতির রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আবাদী উদ্ভিদের মধ্যে স্থানান্তরের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধী জাত উৎপাদন করা হচ্ছে। অনেক উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত রয়েছে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। এমন ফসলী জাতে কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধী জাত উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে ফসলের পরিমাণ অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া অল্প সময়ে অধিক ফসল পাওয়ার জন্য ফসলের আবাদকাল কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে। ফলে একই ফসল বছরে কয়েক বার উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে উঠছে। এভাবে আমাদের দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে এবং জিডিপিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ৩০ জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান কৃষকের নিকট হস্তান্তর করেছে। এর ফলে দেশে খাদ্য উৎপাদন ৪-৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া তৈলবীজ, ডাল, আঁশ জাতীয় ফসল, আখ, শাকসবজি ও ফলজ উদ্ভিদের উন্নয়নে নানামুখী অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এভাবে কৃত্রিম সংকরায়ন কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের জিডিপির পরিমাণ অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নতুন নতুন প্রজাতি সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে যা আমাদের খাদ্য চাহিদার ঘাটতি পূরণ করছে। যেমন- গম ও রাই এর সংকরায়নে ট্রিটিসেল উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা স্বল্প শীত ও প্রচণ্ড শীতে ভালো ফলন দেয়। ফলে আমাদের খাদ্য তালিকায় নতুন প্রজাতির ব খাদ্য অন্তর্ভূক্ত হয়ে আমাদের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করছে। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, কৃত্রিম সংকরায়ন প্রযুপ্তির ব্যবহারের ফলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
HSC Biology 1st Paper Chapter 10: উদ্ভিদ প্রজনন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 10: উদ্ভিদ প্রজনন · সৃজনশীল
“উল্লিখিত পদ্ধতির সফল প্রয়োগের ফলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর