উদ্দীপকে প্রথমোক্ত প্রকৃতির জীবীয় উপাদানটি হলো শৈবাল। নিচে শৈবালের অযৌন জনন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
শৈবালের স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটে থাকে। অযৌন জননের একক হলো রেণু বা স্পোর। বিভিন্ন ধরনের রেণু তৈরির মাধ্যমে যে জনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অযৌন জনন বলা হয়। যে কোনো একটি অঙ্গজ কোষ স্পোরাঞ্জিয়াম হিসেবে কাজ করে এবং এক থেকে অসংখ্য স্পোর তৈরি করে। স্পোর ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট ও সচল হলে তাকে চলরেণু বা জুস্পোর বলে। যেমন- Ulothrix। জুস্পোরগুলো সাধারণত ২৪ ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অধিক ফ্ল্যাজেলা থাকতে পারে। স্পোর ফ্ল্যাজেলাবিহীন নিশ্চল হলে তাকে অচলরেণু বা অ্যাপ্ল্যানোস্পোর বলে। যেমন- Microspora। চরম প্রতিকূল পরিবেশে অর্থাৎ দীর্ঘ শুদ্ধ পরিবেশে অ্যাপ্ল্যানোস্পোর পুরু প্রাচীরবেষ্টিত হলে তাকে হিপনোস্পোর বলে। মাতৃকোষের অনুরূপ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অচল রেণুকে অটোম্পোর বলে। যেমন- Chlorella। কতক শৈবালে কোষের পুরো প্রোটোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে এবং পুরু প্রাচীর বেষ্টিত হয়, তখন তাকে অ্যাকাইনিটি বলে। অনুকূল পরিবেশে অ্যাকাইনিটি অঙ্কুরিত হয়ে নতুন শৈবালে পরিণত হয়, যেমন- Pithophora, Cladophora। ডায়াটম জাতীয় শৈবালে বিশেষ ধরনের রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটে। এদেরকে অক্সোস্পোর বলে। যেমন- Navicula।