উদ্দীপকের রিমার লক্ষ্য করা আচরণগুলো হলো প্রতিবর্ত ক্রিয়া ।
কোন উদ্দীপকের প্রভাবে মস্তিষ্কের নির্দেশ ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে পেশি বা কোন অঙ্গতে অনৈচ্ছিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় তাকে প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে। প্রতিবর্ত ক্রিয়া সুষুম্না কান্ডের নিয়ন্ত্রণে প্রতিবর্ত চক্র নামক এক বিশেষ সংক্ষিপ্ত স্নায়ুপথ দিয়ে ঘটে থাকে।
প্রতিবর্ত ক্রিয়ার স্নায়ুর উদ্দীপনা যে পথে সংঘটিত হয় তাকে প্রতিবর্ত চক্রবর্তী বলে ।
উদ্দীপকে রিমার লক্ষ্য করা আচরণগুলো হল -পায়ে কাটাবিদ্ধ হলে অতি ক্ষিপ্রতার সাথে পা সরিয়ে নেয়া, চোখে কিছু পড়লে আপনা আপনি চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এগুলো সবই প্রতিবর্ত ক্রিয়া বা প্রতিবর্ত চক্রের অন্তর্ভুক্ত। এই ক্রিয়া পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত। যেখানে একটি গ্রাহক থকে যা সংবেদি উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। একটি অন্তরবাহী পথ থাকে যা সংবেদী স্নায়ু যা গ্রাহক অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বহন করে। এছাড়াও রয়েছে একটি কেন্দ্, বহিরবাহি পথ, এবং প্রভাবিত অঙ্গ। ত্বক এখানে গ্রাহক বা রিসেপ্টর অঙ্গ হিসেবে কাজ করে । তাই ত্বকে গরম বা ঠান্ডা কিছু পড়লে সাথে সাথে সে অঙ্গ নিরাপদ স্থানে সরে যায়। এখানে ত্বকে অবস্থিত নিউরনের ডেনড্রাইটসমূহ ব্যথার অনুভূতির উদ্দীপনা গ্রহণ করে। এভাবে ইত্যাদি উপায়ে প্রতিবর্ত ক্রিয়া সংগঠন হয়। প্রতিবর্ত ক্রিয়া দুই প্রকার সহজাত এবং অর্জিত প্রতিবর্ত ক্রিয়া।
এই সহযাত প্রতিবর্ত ক্রিয়া আবার তিন প্রকার ।
১)উপরিগত প্রতিবর্ত
২)গভীর প্রতিবর্ত
৩)ভিসেরাল প্রতিবর্ত।
রিমার লক্ষ্য করা আচরণগুলো হল সহজাত বা আনকন্ডিশন রিফ্লেক্স বা প্রতিবর্ত ক্রিয়ার উপরিগত প্রতিবর্ত যেখানে উদ্দীপনা ত্বক থেকে গৃহীত হয়।