উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিযায়ী পাখিরা খাদ্য ও নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হল:
বাংলাদেশের প্রধানত শীতকালে পরিযায়ি পাখির আগমনে মুখরিত থাকে। সারা বছরই পরিযায়ি পাখির আনাগোনা অব্যহত থাকে। পাখি দেশের পাখি হতে পারে, বিদেশে পাখিও হতে পারে, ও মাইকাল ভেদে এগুলো গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন পাখি নামে পরিচিত। কিছু পাখি আছে যা অন্য দেশে যাওয়ার আগে দু একদিন বাংলাদেশে অবস্থান করার পর নির্দিষ্ট দেশে উড়াল দেয়। এসব পাখি ট্রান্সিয়েট পরিযায়ীবাংলাদেশের যেসব বিদেশি পাখি পরিযায়ি হয় তার বেশিরভাগ আসে হিমালয় ও বাইরে থেকে। অনেক প্রজাতির আগমন ঘটে ইউরোপ ও দূরপ্রাচ্য থেকে। অর্থাৎ ইউরেশিয়া থেকে দক্ষিণ, দক্ষিণপূর্ব ও পূর্ব এশিয়ায় শীতে পাখি পরিযায়ী হয়। শরৎ ও বসন্তকালে কিছু পাখির যাতায়াত চোখে পড়ে। অনেক বিদেশী পরিযায়ী পাখি রয়েছে যা স্বদেশে বিপণ্য বা অতি বিপন্ন হয়ে আছে এমন পাখিও বাংলাদেশের এসে কিছুদিনের জন্য হলেও স্বচ্ছন্দে কাটিয়ে যায়। সমস্ত হাওর এলাকা পরিযায়ী পাখির জন্য সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে, আইনের বিশেষ বিধান করে এগুলো সুরক্ষার ও ব্যবস্থা করা হয়েছে।