উদ্দীপকে উল্লিখিত কবির দম্পত্তির ও জন্মদান প্রক্রিয়াটি হলো নিষেক। নিষেক হলো শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসে একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়া।
নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন উপাদানের বিস্তৃতি ঘটে। এবং ডিম্বাণুর গোলাকার ধারণ করার প্রবণতা দেখায়। এছাড়া ডিম্বাণুর বিভিন্ন আবরণীর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম ও কুসুমের বিস্তৃতি এবং বিন্যাসের পরিবর্তন নিষেকের কারণে ঘটে। নিষেকের মাধ্যমেই জাইগোট সৃষ্টি হয় যা জীবের প্রথম কোষ। পরবর্তীতে জরায়ু গাত্রে জাইগোটের বিভাজনের ফলে সৃষ্ট ব্লাস্টোসিস্টের ইমপ্ল্যান্টেশন ঘটে। এরপর অমরা সৃষ্টির মাধ্যমে ভূণ মাতৃদেহের টিস্যুর সাথে অভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ধীরে ধীরে অমরার মাধ্যমে পুষ্টি, সুরক্ষা, বর্জ্য অপসারণ, হরমোন ক্ষরণ, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি প্রাপ্তির মাধ্যমে ভ্রূণের বিকাশ ঘটতে থাকে। ফিটাসে পরিণত হয়ে ভ্রূণে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর অবয়ব ভালোভাবে লক্ষ করা যায়। এভাবে মাতৃগর্ভে নির্দিষ্ট সময় পর শিশু প্রাণী জন্মলাভ করে।
নিষেকের ফলে জাইগোট জিনের নতুন সমন্বয় ঘটে এবং এতে জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয়। নিষেকের মাধ্যমেই ভূণের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়।