অমরাকে জৈব সেতু বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ভ্রন ও মাতৃ দেহে বিভিন্ন বস্তু বিনিময়ের নিমিত্তে ভ্রুণকলা ও মাতৃকলা মিলে যে বিশেষ অঙ্গ গঠন করে তাকে অমরা বা প্লাসেন্টা বলে। আমরা হল একটি ফিটোমেটারনাল (foeto-maternal)অঙ্গ। অমরার মাধ্যমে ফিটাস ও মাতৃ দেহের মধ্যে বিভিন্ন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। যেমন - মাতা থেকে ফিটাসে অক্সিজেন, গ্লুকোজ, এমিনোএসিড, লিপিড, গ্লিসারোল, ভিটামিন, বিভিন্ন ধরনের আয়ন, অ্যালকোহল, নিকোটিন, ভাইরা, এন্টিবডি ইত্যাদি প্রবাহিত হয়। আবার ফিটাস থেকে মাতাতে কার্বন ডাই অক্সাইড ইউরিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ আদান-প্রদান হয়। এ সকল কারণে অমরাকের জৈব সেতু বলা হয়।
HSC Biology 2nd Paper Chapter 9: মানব জীবনের ধারাবাহিকতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 9: মানব জীবনের ধারাবাহিকতা · সৃজনশীল
অমরাকে জৈব সেতু বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক

Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
১)মাথা: মাথা হচ্ছে শুক্রানুর সামনের অংশ যা দেখতে স্ফিতাকার, কোনাকার বা লেন্সের মত। এর মাথা একটি পাতলা সাইটোপ্লাজমের স্তরে আবৃত থাকে যার অধিকাংশ জুড়ে থাকে একটি ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস কে ঢেকে থাকে এক্রোসোম।
২)গ্রীবা: গ্রীবা হচ্ছে শুক্রানুর মাথার ঠিক পেছনে মাথা ও মধ্যখন্ডের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ স্বচ্ছ সংযোগস্থল। এখানে পরস্পরের সাথে সমকোণে দুটি সেন্ট্রিওল থাকে।
৩)মধ্যা খন্ড: সাইটোপ্লাজ, মাইটোকন্ড্রিয়া ও অক্ষিও সূত্রে গঠিত অংশটি হচ্ছে শুক্রানুর মধ্যখন্ড। এর মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়ার অংশই বেশি। এটি ফ্লাজলাম সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়।
৪)লেজ বা ফ্ল্যাজেলাম : এটি শুক্রানুর দীর্ঘতম অং। এতে অক্ষীয় সূত্রের একাংশ স্থুল আবরণে আবৃত থাকে বাকি অংশ থাকে অনাবৃত। এদের যথাক্রমে মূলখণ্ড ও শেষ খন্ড বলা হয়। ফ্ল্যাজেলাম শুক্রানুকে গতিশীল করে নিষেকের উদ্দেশ্যে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এভাবে একটি শুক্রাণু গঠিত হয়।উত্তর