উদ্দীপকের X সৃষ্ট জননকোষ হল শুক্রাণু। নিচে শুক্রাণুর ফোন বর্ণনা করা হলো:
১. মাথা: মাথা হচ্ছে শুক্রাণুর সামনের অংশ যা দেখতে স্ফীতকায়, কোনাকৃতি বা লেন্সের মতো। শুক্রাণুর সমস্ত মাথা একটি পাতলা সাইটোপ্লাজমীয় স্তরে আবৃত থাকে। মাথার সাইটোপ্লাজম এর অধিকাংশ স্থান জুড়ে থাকে একটি ডিম্বাকৃতির নিউক্লিয়াস। এতে ক্রোমোজোম থাকায় পিতার বংশগতির সন্তানের সঞ্চারিত হয়। এর সামনের অর্ধেক অংশের ওপর নিউক্লিয়াসকে ঢেকে রাখে আক্রসোম। আক্রোসোম একটি থলি বিশেষ। আক্রোসোম এ উপস্থিত টিস্যু গলনকারী এনজাইম গুলো ডিম্বানুর ঝিল্লি ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে।
২. গ্রীবা: গ্রীবা হচ্ছে শুক্রাণুর মাথা ঠিক পেছনে, মাথা ও মধ্যখন্ডের মাঝখানে অবস্থিত একটি সরু, স্বচ্ছ সংযোগস্থল। এখানে পরস্পরের সাথে সমকোণে দুটি সেন্ট্রিওল থাকে। ৩. মধ্য খন্ড: সাইটোপ্লাজম, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং সূত্র গঠিত অংশটি হচ্ছে শুক্রানুর মধ্যে খন্ড। এর মধ্যে মাইটোকনড্রিয়ার অংশই বেশি। মাইটোকনড্রিয়া ফ্লাজেলাম সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। ৪. লেজ: শুক্রাণুর খন্ডের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকনড্রিয়া সমাপ্তি অংশ থেকে শুরু করে পেছনের সবটুকুই লেজ। এটি শুক্রাণুর দীর্ঘতম অংশ। এতে অক্ষীয় সূত্রের এক অংশ একটি স্থূল আবরণে আবৃত থাকে বাকি অংশ থাকে অনাবৃত। এদের যথাক্রমে মূলখণ্ড ও শেষ খন্ড বলা হয়। ফ্লাজেলাম শুক্রাণুকে গতিশীল করে নিষেকের উদ্দেশ্যে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।