উদ্দীপকে উল্লেখিত তিনটি স্তরে গঠিত গোলাকার একটি গঠন A দ্বারা মানব চক্ষু বুঝানো হয়েছে যা মস্তিষ্কের একটি অংশ এবং B হচ্ছে চোখের রেটিনাকে বুঝানো হয়েছে। নিচে রেটিনার কাজগুলো বর্ণনা করা হলো-
রেটিনা হচ্ছে অক্ষিগোলকের প্রাচীরের সর্বাপেক্ষা ভিতরের স্তর এবং একমাত্র আলোক সংবেদী অংশ। এখানে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এটি ১০টি উপস্তর নিয়ে গঠিত। এতে দুই ধরনের আলোক সংবেদী কোষ থাকে। যথা- রডকোষ এবং কোণকোষ। রডকোষগুলো লম্বাটে, রডোপসিন নামক প্রোটিন এবং ভিটামিন A দ্বারা গঠিত এবং কোণকোষগুলো কোণাকার, আয়োডোপমিন প্রোটিন দ্বারা গঠিত। রডকোষগুলো অনুজ্জ্বল বা অল্প আলোতে সাদাকালো প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে ও কোণকোষগুলো তীব্র আলোয় বা উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দেখতে সহায়তা করে। রেটিনায় অন্ধবিন্দুতে কোনো রডকোষ ও কোণকোষ থাকে না তাই এখানে কোনো প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না। অপরদিকে ফোবিয়া সেন্ট্রালিম বা পীতবিন্দুতে কোণকোষ থাকায় এটি অতিরিক্ত আলোক সংবেদী। তাই এখানে সবচেয়ে ভাল ও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। রেটিনায় সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছালে আমরা সেই প্রতিবিম্ব স্পষ্টভাবে দেখতে পাই।