উদ্দীপকের শত্রুসমূহ শরীরে প্রবেশের সময় প্রথম ধাপে কোন কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্মুখীন হয় তা বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের শত্রুসমূহ শরীরে প্রবেশের সময় প্রথম ধাপে যে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্মুখীন হয় নিচে তা বর্ণনা করা হলো- ১. ত্বক: ত্বক চারভাবে একটি কার্যকর প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে: (i) গাঠনিকভাবে কেরাটিনময়, বায়ুরোধী, জলাভেদ্য ও অধিকাংশ পদার্থের প্রতি অভেদ্য; (ii) সবসময় প্রতিস্থাপিত হয়; (iii) এসিডিক pH; এবং (iv) ঘামগ্রন্থি ও স্বেদগ্রন্থি থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি। ত্বকের এসব অবস্থার জন্য জীবাণু দেহে প্রবেশে প্রাথমিকভাবে বাঁধা পায়। ২. লোম: নাকের ভেতরকার লোম ধূলা-ময়লা আটকে দেহের অভ্যন্তরে ক্ষতিকর পদার্থের যাতায়াত বন্ধ করে রাখে। ৩. সিলিয়া: দেহের প্রবেশ পথগুলো মিউকাস ঝিল্লিতে আবৃত থাকে। বহিরাগত কণা ও অণুজীব এ ঝিল্লির আঠালো মিউকাসে আটকে দলা পাকিয়ে হাঁচি-কাশি-থুথু হিসেবে বহির্গত হয় কিংবা পাকস্থলিতে এসে পৌঁছায়। পাকস্থলিতে প্রবেশ করলে সেখানে এসিডের প্রভাবে জীবাণুর মৃত্যু ঘটে। ৪. অশ্রু ও লালা: অশ্রু ও লালায় যে লাইসোজাইম এনজাইম রয়েছে তা ব্যাকটেরিয়ানাশক হিসেবে কাজ করে। চোখকে বারংবার ভিজিয়ে দিয়ে অশ্রু বহিরাগত কণা ও অণুজীবের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ৫.সিরুমেন: কানের পর্দায় যেন ময়লা ও অণুজীবের সংক্রমণে শ্রবণে ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য সিরুমেনে আটকে শক্ত দলায় অর্থাৎ কানের খইল-এ পরিণত হয়। ৬. পৌষ্টিকনালির এসিড: খাদ্য ও পানির সঙ্গে অনেক ধরনের ক্ষতিকর অণুজীব পাকস্থলিতে এসে জমা হয় এবং পাকস্থলির শক্তিশালী হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের ক্রিয়ায় বিনষ্ট হয়। ৭.রক্ততঞ্চন: মানবদেহের কোন স্থানে কেটে গেলে ঐ ক্ষতস্থান হতে রক্তের বিশেষ কার্যকারিতায় রক্ততঞ্চন ঘটে। রক্ততঞ্চনের ফলে ঐ স্থান হতে কোনো অণুজীব মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে না।
HSC Biology 2nd Paper Chapter 10: মানবদেহের প্রতিরক্ষা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 10: মানবদেহের প্রতিরক্ষা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শত্রুসমূহ শরীরে প্রবেশের সময় প্রথম ধাপে কোন কোন প্রতিরক্ষ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
১. ভারী ও হালকা শৃঙ্খল প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে দু'জোড়া পলিপেপটাইড শৃঙ্খল থাকে। এর মধ্যে সদৃশ একজোড়া লম্বা ও ভারী শৃঙ্খল এবং অন্য জোড়া সদৃশ হালকা শৃঙ্খল।
২. ডাইসালফাইড বন্ড প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে অন্তত ৩টি আন্তঃশৃঙ্খল ডাইসালফাইড বন্ড রয়েছে।
৩. স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অঞ্চল: প্রত্যেক অ্যান্টিবডি দুই অঞ্চলবিশিষ্ট গঠনে নির্মিত। একটি হচ্ছে স্থায়ী অঞ্চল এবং অন্যটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল।
৪. কব্জা অঞ্চল: অ্যান্টিবডি অণুর বাহু দুটি যে সংযোগ স্থল থেকে দু'ভাগ হয়ে যায় তা কব্জা অঞ্চল। অংশটি অ্যান্টিবডিকে কিছুটা নমনীয়তা দান করে। বাহু দুটির দু'প্রান্তে অবস্থিত একটি করে মোট দুটি প্যারাটপে দুটি অ্যান্টিজেনকে আটক করা যায়।উত্তর