উদ্দীপকের G হল বৃহদন্ত্র, মানবদেহের যার ভূমিকা অসীম।
ইলিয়াম থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত মোটা নলাকৃতির অংশ হলো বৃহদন্ত্র।বৃহদান্ত্রের দৈর্ঘ্য 1.5 মিটার। সিকাম, কোলন বৃহদন্ত্রের অংশ।কোলনের মধ্যে রয়েছে ঊর্ধ্বগামী, অনুপ্রস্থ, নিম্নগামী ও সিগময়েড কোলন।
খাদ্যের পরিপাক এবং পরিপাককৃত খাদ্য শোষণের পর যে অংশটুকু অপাচ্য থাকে বা শোষিত হয় না সেটি বৃহদন্ত্রে প্রবেশ করে। মানবদেহে বৃহদন্ত্রের ভুমিকা অনেক । যেমন:
১) ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়া:বৃহদন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া মিথোজীবী হিসেবে বাস কর। এরা খাদ্যের অপাচ্য অংশের গাজন ও পচন ঘটায়।স্বল্পদৈর্ঘ্য ফ্যাটি এসিড ব্যাকটেরিয়া এবং কোলনের প্রাচীর-কোষে শক্তি জোগায় । এসব ব্যাকটেরিয়া ভিটামিন K ওB12 এর ফলিক এসিড উৎপন্ন করে। ২) শোষণ: ক্ষুদ্রান্ত থেকে আসা পরিপাক বর্জ্যে অবস্থিত পানির প্রায় ৭০-৮০% অভিস্রবণ এর মাধ্যমে বৃহদন্ত্রের শোষিত হয়। দূ এছাড়াও কিছু পরিমাণ অজৈব লবণ, গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন B, K বৃহদন্ত্রের শোষিত হয়। ৩) ক্ষরণ: গবলেট কোষ মিউকাস ক্ষরণ করে করে বৃহদান্ত্রের অভ্যন্তরভাগকে পিচ্ছিল রাখে।
৪) মল উৎপাদন: প্রতিদিন প্রায় ৩৫০ গ্রাম তরল মন্ড বৃহদন্ত্রের প্রবেশ করে। এবং ১৩৫ গ্রাম আদ্র মল উৎপন্ন হয়ে দেহের বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়।
মানবদেহের ইত্যাদি ভূমিকা বৃহদান্ত্রে সম্পাদিত হয় ।