উদ্দীপকের শেষ লাইনটি হল - ঘাসফড়িং এ রয়েছে বিশেষ ধরনের শ্বসনতন্ত্র যেখানে অক্সিজেন পরিবহনের প্রয়োজন হয় না।
এ বিষয়ে নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো -
শ্বসন সম্পাদনের জন্য ট্রাকিয়া ও এর শাখা প্রশাখা গুলো পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে ঘাসফড়িং এর যে বিশেষ ধরনের শ্বসনতন্ত্র সৃষ্টি করেছে তার নাম ট্রাকিয়াল তন্ত্র।
১০ জোড়া স্পাইরাকল, অসংখ্য ট্রাকিয়া, ট্রাকিউল কোষ, বায়ুথলির সমন্বয়ে ট্রাকিয়ালতন্ত্র গঠিত। শ্বাসরন্ধ্র দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বায়ু দ্রুত ট্রাকিয়াতে প্রবেশ করে এবং ট্রাকিওলের প্রান্তীয় থলিতে বিদ্যমান ট্রাকিউল রসে অক্সিজেন বিমুখ্ত করে। এরপর এই ট্রাকিউল রস থেকে অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহকোষে পৌঁছায়। শ্বসন রসের বিনিময়ে ট্রাকিওর রস প্রধান ভূমিকা পালন করে। দেহকোষে বিপাকের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যাপন পদ্ধতিতে ট্রাকিউল রসে আসে এবং ট্রাকিয়ায় প্রবেশ করেকোষে উৎপন্ন হওয়া অধিকাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড দেহতল দ্বারা নিষ্ক্রান্ত হয় ।
উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে ঘাসফড়িং এর শ্বসনতন্ত্রে অক্সিজেন পরিবহনের প্রয়োজন পড়ে না। শ্বসন গ্যাসের বিনিময়ে ট্রাকিউল রস মূলত প্রধান ভূমিকা পালন করে।