উদ্দীপকের ২য় অংশ থেকে D যৌগ গঠনের কৌশল ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে ২য় অংশের বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করে পাইঃ [চিত্র] বিক্রিয়াটি থেকে দেখা যায় যে, D যৌগটি হলো 3-হেক্সেন অর্থাৎ অ্যালকোহল। D যৌগটি গঠনের কৌশল হলো SN1 বা এক আণবিক নিওক্লিউফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। SN1 বিক্রিয়া ২ টি ধাপে সম্পন্ন হয়। যে নিওক্লিউফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার গতি নিওক্লিউফাইলের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর না করে কেবল অ্যালকাইল হ্যালাইডের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে তাকে SN1 বিক্রিয়া বলে। SN1 বিক্রিয়ার কৌশলঃ ১ম ধাপে 3° অ্যালকাইল হ্যালাইড ধীর গতিতে বিয়োজিত হয়ে অধিক স্থায়ী 3° কার্বোনিয়াম আয়ন ও হ্যালাইড আয়ন তৈরী করে। এক্ষেত্রে অ্যালকাইল হ্যালাইডের বিয়োজনে পোলার দ্রাবক পানি (H2O) অণুর সাথে HO- আয়নের পানি-যোজন কালে নির্গত তাপ শক্তির মূল ভূমিকা থাকে। ২য় ধাপে নিওক্লিউফাইল HO- আয়ন ঐ কার্বোনিয়াম আয়নের সাথে দ্রুত গতিতে যুক্ত হয়। [চিত্র]
HSC Chemistry 2nd Paper Chapter 4: তড়িৎ রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 2nd Paper · Chapter 4: তড়িৎ রসায়ন · সৃজনশীল
উদ্দীপকের ২য় অংশ থেকে D যৌগ গঠনের কৌশল ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
বিক্রিয়াটি থেকে দেখা যায় যে, D যৌগটি হলো 3-হেক্সেন অর্থাৎ অ্যালকোহল। D যৌগটি গঠনের কৌশল হলো SN1 বা
এক আণবিক নিওক্লিউফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। SN1 বিক্রিয়া ২ টি ধাপে সম্পন্ন হয়।
যে নিওক্লিউফিলিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার গতি নিওক্লিউফাইলের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর না করে কেবল অ্যালকাইল হ্যালাইডের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে তাকে SN1 বিক্রিয়া বলে।
SN1 বিক্রিয়ার কৌশলঃ
১ম ধাপে 3° অ্যালকাইল হ্যালাইড ধীর গতিতে বিয়োজিত হয়ে অধিক স্থায়ী 3° কার্বোনিয়াম আয়ন ও হ্যালাইড আয়ন তৈরী করে। এক্ষেত্রে অ্যালকাইল হ্যালাইডের বিয়োজনে পোলার দ্রাবক পানি (H2O) অণুর সাথে HO- আয়নের পানি-যোজন কালে নির্গত তাপ শক্তির মূল ভূমিকা থাকে।
২য় ধাপে নিওক্লিউফাইল HO- আয়ন ঐ কার্বোনিয়াম আয়নের সাথে দ্রুত গতিতে যুক্ত হয়।

উত্তর
বিক্রিয়াটি হতে দেখা যাচ্ছে যে, Aযৌগটি হলো ইথান্যাল এবং B যৌগটি হলো প্রোপানোন। অর্থ্যাৎ, অ্যালডিহাইড ও কিটোন। M যৌগটি হলো একটী অ্যালকিন। নিচে অ্যালডিহাইড ও কিটোন থেকে অ্যালকিন প্রস্তুতি লিখা হলোঃ
অ্যালডিহাইড থেকে অ্যালকিনঃ
প্রথমে অ্যালডিহাইডকে বিজারিত করলে আমরা অ্যালকেন (ইথানল) পাই। এই ইথনলকে H2 SO4(সালফিউরিক এসিড) এর উপস্থিতিতে নিরুদিত করলে অ্যালকিন উৎপন্ন হয়।
কিটোন থেকে অ্যালকিন প্রস্তুতিঃ
অ্যালডিহাইডের মতো কিটোনকে বিজারিত করলে অ্যালকোহল(প্রোপানল) উৎপন্ন হয়। আবার, প্রোপানলকে H2 SO4 দ্বারা নিরুদিত করলে প্রোপিন বা অ্যালকিন পাওয়া যায়।
এই পদ্ধতিতেই অ্যালডিহাইড (A) ও কিটোন (B) এর মাধ্যমে M যৌগ বা অ্যালকিন নির্ণয় বা প্রস্তুত করা যায়।