H2O একটি অ্যাস্ফোটেরিক পদার্থ - ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রোটনীয় মতবাদ অনুসারে, যেসব অণু বা আয়ন অবস্থাভেদে প্রোটন দাতা ও প্রোটন গ্রহীতা উভয় প্রকার আচরণ করে অর্থাৎ অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয়রূপে ক্রিয়া করে তাদেরকে অ্যাম্ফোটেরিক পদার্থ বলে। পানি একটি অ্যাম্ফোটেরিক পদার্থ। কারণ পানি আম্যোনিয়াকে প্রোটন দান করে অম্লরূপে এবং [গণিত] থেকে প্রোটন গ্রহণ করে ক্ষারকরূপে ক্রিয়া করে। [গণিত] প্রোটন দাতা : [গণিত] প্রোটন গ্রহীতা : [গণিত]
HSC Chemistry 2nd Paper Chapter 2: জৈব রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 2nd Paper · Chapter 2: জৈব রসায়ন · সৃজনশীল
H2O একটি অ্যাস্ফোটেরিক পদার্থ - ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক

Mymensingh · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
(কার্বনিল মূলক) বিদ্যমান।
মূলকে অক্সিজেন (0) পরমাণু কার্বন (C) পরমাণু অপেক্ষা অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক হওয়ায় শেয়ারকৃত ইলেকট্রন জোড়কে অক্সিজেন পরমাণু নিজের দিকে টেনে নিয়ে আংশিক ঋণাত্মক চার্জ এবং কার্বন পরমাণু আংশিক ধনাত্মক চার্জ প্রাপ্ত হয়। ফলে নিউক্লিওফাইল ধনাত্মক চার্জে চার্জিত কার্বনে আক্রমণ করে এবং নিউক্লিওফিলিক যুত যৌগ তৈরি করে।
কার্বনিল মূলক যুক্ত যৌগের নিউক্লিওফিলিক যুত বিক্রিয়ার গতি নির্ভর করে
মূলকের পোলারিটির উপর। পোলারিটি বৃদ্ধি পেলে বিক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি পায়। কার্বক্সিলিক এসিড এর কার্বনিল অংশের অক্সিজেন পরমাণু অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক হওয়ার কারণে
এর ইলেকট্রন নিজের দিকে টেনে নেয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, যৌগটি নিউক্লিওফিলিক সংযোজন বিক্রিয়া তথা কেন্দ্রাকর্ষী যুত বিক্রিয়া প্রদর্শন না করলেও প্রদর্শন করে।উত্তর