উদ্দীপকের D যৌগের কোন ধরনের স্টেরিও সমানুতা প্রদর্শন করবে?
উত্তর: উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি আংশিক পূর্ণ করে পাই, [চিত্র] সুতরাং D যৌগটি হলো বিউটিন-2 [গণিত] বিউটিন-2 এর স্টেরিও সমাণুতা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: যৌগের অণুতে পরমাণু বা মূলকের ত্রিমাত্রিক স্থানিক বিন্যাসের পার্থক্যহেতু তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে তাদের স্টেরিও সমাণু বলে এবং এরূপ ধর্ম প্রদর্শনকে স্টেরিও সমাণুতা বলে। স্টেরিও সমাণুতা ২ প্রকার। যথা- i. জ্যামিতিক (সিস-ট্রান্স) সমাণুতা এবং ii. আলোক সমাণুতা। বিউটিন-2 তে কোনো অপ্রতিসম কার্বন না থাকায় এটি আলোক সমাণুতা প্রদর্শন করে না। বিউটিন-2 তে দ্বিবন্ধন থাকায় এটি জ্যামিতিক বা সিস-ট্রান্স সমাণুতা দেখায়। বিউটিন-2 এর জ্যামিতিক সমাণুতা নিম্নরূপ : কোনো যৌগে কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধন থাকলে কার্বন-কার্বন বন্ধনের অক্ষ বরাবর মুক্ত আবর্তন সম্ভব হয় না, তখন ভিন্ন কনফিগারেশন যুক্ত দুই ধরনের যৌগ অণু সৃষ্টি হয়, যাদেরকে সিস্-ট্রান্স সমাণু বলে। সিস্-ট্রান্স সমাণুর শর্ত- ১. যৌগকে অবশ্যই চাক্রিক বা দ্বি-বন্ধন যুক্ত হতে হবে। ২. দ্বি-বন্ধন যুক্ত যৌগের গঠন কাঠামো (ab) C = C (ab) হবে যেখানে a ≠ bl উদ্দীপকের বিউটিন-2 সিস্-ট্রান্স সমাণুর দুটি শর্তই পূরণ করে সিস্-2-বিউটিন ও ট্রান্স-2-বিউটিন গঠন করে। [চিত্র]
HSC Chemistry 2nd Paper Chapter 2: জৈব রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 2nd Paper · Chapter 2: জৈব রসায়ন · সৃজনশীল
উদ্দীপকের D যৌগের কোন ধরনের স্টেরিও সমানুতা প্রদর্শন করবে?
উদ্দীপক

Rajshahi · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সুতরাং D যৌগটি হলো বিউটিন-2
বিউটিন-2 এর স্টেরিও সমাণুতা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
যৌগের অণুতে পরমাণু বা মূলকের ত্রিমাত্রিক স্থানিক বিন্যাসের পার্থক্যহেতু তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে তাদের স্টেরিও সমাণু বলে এবং এরূপ ধর্ম প্রদর্শনকে স্টেরিও সমাণুতা
বলে। স্টেরিও সমাণুতা ২ প্রকার। যথা-
i. জ্যামিতিক (সিস-ট্রান্স) সমাণুতা এবং
ii. আলোক সমাণুতা।
বিউটিন-2 তে কোনো অপ্রতিসম কার্বন না থাকায় এটি আলোক সমাণুতা প্রদর্শন করে না। বিউটিন-2 তে দ্বিবন্ধন থাকায় এটি জ্যামিতিক বা সিস-ট্রান্স সমাণুতা দেখায়। বিউটিন-2 এর জ্যামিতিক সমাণুতা নিম্নরূপ :
কোনো যৌগে কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধন থাকলে কার্বন-কার্বন বন্ধনের অক্ষ বরাবর মুক্ত আবর্তন সম্ভব হয় না, তখন ভিন্ন কনফিগারেশন যুক্ত দুই ধরনের যৌগ অণু সৃষ্টি হয়, যাদেরকে সিস্-ট্রান্স সমাণু বলে। সিস্-ট্রান্স সমাণুর শর্ত-
১. যৌগকে অবশ্যই চাক্রিক বা দ্বি-বন্ধন যুক্ত হতে হবে।
২. দ্বি-বন্ধন যুক্ত যৌগের গঠন কাঠামো (ab) C = C (ab) হবে
যেখানে a ≠ bl
উদ্দীপকের বিউটিন-2 সিস্-ট্রান্স সমাণুর দুটি শর্তই পূরণ করে সিস্-2-বিউটিন ও ট্রান্স-2-বিউটিন গঠন করে।

উত্তর
সুতরাং C হলো বিউটিন-1। বিউটিন-1 মার্কনিকভের সূত্র মেনে চলে।
নিচে উপযুক্ত কৌশলসহ দেখানো হলো-
মার্কনিকভের সূত্র হলো- "অপ্রতিসম অ্যালকিনের সাথে অপ্রতিসম বিকারকের বিক্রিয়ায় বিকারকের H বা ধনাত্মক প্রান্তটি অ্যালকিনের দ্বি-বন্ধনযুক্ত যে কার্বনে বেশি H পরমাণু থাকে প্রধানত সে কার্বন পরমাণুতে যুক্ত হয়।"
-এক্ষেত্রে অপ্রতিসম অ্যালকিন -এক্ষেত্রে অপ্রতিসম অ্যালকিন বিউটিন-I যা অপ্রতিসম বিকারক HBr এর সাথে বিক্রিয়া করে 90% 2-ব্রোমো বিউটেন ও 10% 1-ব্রোমো বিউটেন উৎপন্ন করে।
উপযুক্ত কৌশল: প্রথম ধাপে বিকারক H... Br থেকে ইলেকট্রোফাইল রূপে আয়ন ও নিউক্লিওফাইল রূপে ব্রোমাইড আয়ন (Br-) সৃষ্টি হয়। দ্বি-বন্ধনের ইলেকট্রন দ্বারা ইলেকট্রোফাইল (H+) আকৃষ্ট হলে কম শক্তি সহযোগে অধিক স্থায়ী 2°-কার্বোক্যাটায়ন অধিক সংখ্যায় এবং অধিক শক্তি সহযোগে কম স্থায়ী 1°-কার্বোক্যাটায়ন কম সংখ্যায় সৃষ্টি হয়। শেষ ধাপে কার্বোক্যাটায়নের সাথে নিউক্লিওফাইল ব্রোমাইড আয়ন (Br) যুক্ত হয়ে যুত যৌগ উৎপন্ন করে।
সুতরাং উপরোক্ত কৌশল অনুসারে বলা যায়, বিউটিন-1 মার্কোনিকভের সূত্র মেনে চলে।