C যৌগের বিজারণে প্রাপ্ত যৌগটি এবং A যৌগের প্রকৃতি ভিন্ন হবে কি না-বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের A ও C যৌগদ্বয় যথাক্রমে ইথাইন ও নাইট্রোবেনজিন (গ-থেকে পাই)। নাইট্রোবেনজিন (C) এর বিজারণে প্রাপ্ত যৌগ অ্যানিলিন (C6H5-NH₂)। সুতরাং ইথাইন ও অ্যানিলিনের প্রকৃতি ভিন্ন হবে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- যেসব যৌগ প্রোটন প্রদানে সক্ষম তাদেরকে অম্লধর্মী যৌগ বলে। ইথাইন [গণিত] একটি অম্লধর্মী যৌগ। কারণ ইথাইন অণুতে s চরিত্র (50%) তুলনামূলক বেশি হওয়ায় p অরবিটালের চরিত্র কমে যায়। ফলে C - H এর ইলেকট্রন জোড় ক্রমে C-পরমাণুর দিকে অধিক আকৃষ্ট হয় বলে এদের প্রোটন প্রদান ক্ষমতা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। এজন্য ইথাইন [গণিত] অম্লধর্মী। অপরদিকে, লুইস মতবাদ অনুসারে যেসব যৌগ বা মূলক কমপক্ষে একটি মুক্তজোড় ইলেকট্রন দান করতে সক্ষম তাদেরকে ক্ষারক বলে। অ্যানিলিন (C6H5-NH₂) অণুতে একটি মুক্ত জোড় ইলেকট্রন আছে এবং তা কোনো এসিডকে দান করে অ্যানিলিয়াম আয়ন [গণিত] গঠন করতে পারে বলে অ্যানিলিন ক্ষার। সুতরাং দেখা যায় যে, ইথাইনের প্রকৃতি অম্লীয় হলেও অ্যানিলিনের প্রকৃতি ক্ষারীয়। অর্থাৎ যৌগদ্বয়ের প্রকৃতি ভিন্ন।
HSC Chemistry 2nd Paper Chapter 2: জৈব রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 2nd Paper · Chapter 2: জৈব রসায়ন · সৃজনশীল
C যৌগের বিজারণে প্রাপ্ত যৌগটি এবং A যৌগের প্রকৃতি ভিন্ন হবে কি না-ব…
Chittagong · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সুতরাং B যৌগটি বেনজিন ও C যৌগটি নাইট্রোবেনজিন। বেনজিন থেকে নাইট্রোবেনজিন উৎপাদনের কৌশল নিচে আলোচনা করা হলো-
বিক্রিয়াটি তিনটি ধাপে ঘটে-
১ম ধাপ: গাঢ় HNO3 ও H₂SO₄ মিশ্রণের বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনাকর্ষী বিকারক নাইট্রোনিয়াম আয়ন (NO₂+) তৈরি হয়।
এখানে H₂SO₄ নাইট্রিক এসিডকে প্রোটন দান করায় HNO3 ও হাইড্রক্সিল আয়ন ত্যাগ করে নাইট্রোনিয়াম আয়ন গঠিত হয়।
২য় ধাপ: ইলেকট্রনাকর্ষী বিকারক নাইট্রোনিয়াম আয়ন NO₂ আয়ন বেনজিন চক্রকে আক্রমণ করে এবং চক্রের কার্বন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনের সাহায্যে যুক্ত হয়ে মধ্যবর্তী ধনাত্মক কার্বোনিয়াম আয়ন বা বেনজোনিয়াম আয়ন উৎপন্ন করে। এটি অনুরণন দ্বারা সুস্থিত।
৩য় ধাপ: ক্ষারীয় আয়ন যেমন, HSO₄- আয়ন কার্বোনিয়াম আয়ন হতে একটি প্রোটন অপসারণ করে প্রতিস্থাপিত স্থায়ী যৌগ নাইট্রোবেনজিন তৈরি করে। এটি দ্রুত গতিসম্পন্ন ধাপ।

উত্তর