ইলেকট্রন বিন্যাস অনুযায়ী Y মৌলটি হলো Fe। সুতরাং Fe, d ব্লক মৌল এবং অবস্থান্তর মৌলের বৈশিষ্ট্যানুসারে এর সুস্থিত আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাসে d অরবিটাল আংশিক পূর্ণ থাকে। তাই একই সাথে Fe অবস্থান্তর মৌলও। আমরা জানি যে, সাধারণত অবস্থান্তর মৌলসমূহ রঙিন যৌগ গঠন করে।
Fe- এ সাধারণভাবে পাঁচটি d অরবিটাল সমশক্তিস্তরে অবস্থান করে। একে ডিজেনারেট অবস্থা বলা হয়। কিন্তু যখনই কোনো লিগ্যান্ড যুক্ত হওয়ার জন্য এই d অরবিটাল এর নিকটে আসে তখন d অরবিটাল বর্তমান ইলেকট্রন ও লিগ্যান্ডের নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড়ের মধ্যে বিকর্ষন ঘটে। এ বিকর্ষণ বলের প্রভাবে d অরবিটাল এর মধ্যে শক্তির পার্থক্য ঘটে এবং নন-ডিজেনারেট অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় শক্তির পার্থকা (AE) ঘটে। এ AE এর মান যদি দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমার মধ্যে পড়ে, তবে d অরবিটাল এর বিজোড় ইলেকট্রন ঐ আলো শোষণ করে। আলোর অবশিষ্ট তরঙ্গ Fe এর আয়ন দ্বারা শোষিত হয় এবং এর সমপূরক আলো বিকিরিত হয়। বিকিরিত সম্পূরক আলোর বর্ণটিই হবে যৌগটির বর্ণ। আর এভাবেই সৃষ্ট শক্তির পার্থক্য যখন দৃশ্যমান আলোর সীমার মধ্যে থাকে এবং অবশিষ্ট আলো দ্বারা শোষিত আয়ন যখন বর্ণের সম্পূরক হয় তখনই প্রদত্ত যৌগ বর্ণ প্রদর্শন করে। তাই Fe রঙিন যৌগ।