উদ্দীপকের গীতা রাণীর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর বুদ্ধিদীপ্ততার আত্মপ্রকাশ – আমি এক মত সমর্থন করি।
“অপরিচিতা” গল্পে অপরিচিতা বিশেষণের আড়ালে যে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী নারীর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, তার নাম কল্যাণী পৃথিবীর মোট জনশক্তির অর্ধেক নারী। তাই তাদের দমিয়ে রেখে কোনো জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। ঘরের কোণে বন্দি না থেকে নারীরা আজ পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সকল কাজের অংশীদার হয়ে উঠছে। গল্পের শেষাংশে কল্যাণীর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ ও শুচিশুভ্র আত্মপ্রকাশ দেখা যায়, যা ভবিষ্যতের নতুন নারীর আগমনী ইঙ্গিতে সমাপ্ত।
উদ্দীপকে গীতা রানী সরকার, গ্রামের একজন শিক্ষিত নারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে গ্রামের স্বল্প শিক্ষিত মানুষদের নিয়ে কাজ করতে চেয়েছেন। সেই লক্ষ্যে তিনি গ্রামের মহিলাদের শিক্ষিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এক্ষেত্রে উদ্দীপক এবং অপরিচিতা গল্পের কল্যাণী উভয়ের মধ্যে বলিষ্ঠ জাগরন ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে।