উদ্দীপকের গৌরীর সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা বরাবরই অবহেলিত। । তাদের সব সময় পণ্য মনে করা হয়। তাদেরও যে আবেগ-অনুভূতি, মতামত দেওয়ার ইচ্ছা ও অধিকার আছে তা সমাজ বেমালুম ভুলে যায় কিন্তু বর্তমানে এমন অনেক নারী আছে যারা নিজেদের অধিকার আদায়ে সচেতন।
'অপরিচিতা' গল্পে তেমনই এক নারী চরিত্রের প্রতিনিধি কল্যাণী। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় সে নারীশিক্ষার ব্রতে ব্রতী হয়েছে, যা উদ্দীপকের। গৌরীর মধ্যে দৃশ্যমান। এদিক থেকে দুজনের মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেও বেশ কিছু দিক দিয়ে বৈসাদৃশ্য রয়েছে। যেমন গৌরীকে দেখা যায় লেখাপড়া শেষ করে পঁচিশ বছর বয়স পেরিয়ে বিয়ের প্রসঙ্গ আসে। অন্যদিকে কল্যাণীর পনেরো বছর বয়সেই বিয়ের প্রসঙ্গ আসে। কল্যাণীর যেমন বিয়ের পিঁড়িতে বসে বিয়ে ভেঙে যায়, গৌরীর জীবনে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এভাবে গৌরী ও কল্যাণীর মধ্যে নারীমুক্তির ব্রতে ব্রতী হওয়ার বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও বেশ কিছু বৈসাদৃশ্যও রয়েছে।