বিয়ে করতে না চাওয়া এবং দেশ সেবার পণ গ্রহণের দিক থেকে উদ্দীপকের যুঁথিকার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য রয়েছে।
আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ রয়েছে, যাদের দেশাত্মবোধ অত্যন্ত প্রবল। সংগত কারণেই এ ধরনের ব্যক্তিবর্গ দেশ ও দশের কল্যাণকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দেশমাতৃকার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মমত্ববোধই তাদের এমন অবস্থানের কারণ।
উদ্দীপকে যুঁথিকা নামের এক মেধাবী তরুণীর কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যান্সার গবেষণার জন্য জার্মান সরকারের বৃত্তি লাভ করায় বিভিন্ন জায়গা থেকে তার বিয়ের জন্য প্রস্তাব আসে। এমতাবস্থায় যুঁথির বাবা তার বিয়ের কথা ভাবলেও দেশ সেবাকে প্রাধান্য দিয়ে এ সময় সে বিয়ে করতে অপারগতা জানায়। একইভাবে, বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীও বিয়ের চিন্তা ত্যাগ করে নারীদের শিক্ষিত করে তোলার মাধ্যমে দেশসেবার পণ করে। এ কারণেই সে অনুপমকে ফিরিয়ে দেয়, যা উদ্দীপকের যুথিকার মনোভাবকেই তুলে ধরে। এসব দিক থেকে তাদের চরিত্রের সাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়।