• হ্যাঁ, আমি মনে করি যৌতুকপ্রথাই বিয়ে ভেঙে যাওয়ার একমাত্র কারণ। কেননা উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পে এর সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
• যৌতুক একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। এটি সমাজ কাঠামো এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই যৌতুকের কারণে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতারা হচ্ছেন সর্বস্বান্ত এবং অনেক নারীর সংসার ভাঙছে প্রতিনিয়ত। যৌতুকপ্রথার নির্মম বলি হয়ে অনেক নারীর জীবনপ্রদীপ অকালে নিভে যাচ্ছে।
• উদ্দীপকে দেখা যায়, বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করলে কন্যার পিতা নিত্যানন্দ সেসব দিতে সম্মত হয়। অনেক কষ্ট সহ্য করে সে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করলেও নিতান্ত তুচ্ছ কারণে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। 'অপরিচিতা' গল্পেও দেখা যায়, কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ বাবু মেয়ের বিয়েতে যৌতুক দিতে রাজি হন। বরের মামা সেই যৌতুকের গয়না সেকরা দিয়ে যাচাই করে হীন মানসিকতার পরিচয় দেন। এতে শম্ভুনাথ বাবু অপমানিত হয়ে মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন।
উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্প উভয় ক্ষেত্রেই যৌতুকের কারণে বিয়ে ভেঙে গেছে। যৌতুকের নেতিবাচক প্রভাব সমাজকে কীভাবে প্রভাবিত করে তা এখানে দেখানো হয়েছে। এই প্রভাব বিয়ে ভেঙে যাওয়ার জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও গল্পে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার প্রধান কারণ যৌতুক বা পণপ্রথা।