উদ্দীপক
জয়ী দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাকে ক্লাসে আনমনা দেখে শিক্ষক একদিন বলেন যে, সে কি কোনো কারণে চিন্তিত? তখন জয়ী বলে যে, তার দশম শ্রেণিতে পড়াকালে অভাবের কারণে বাবা তার বন্ধুর ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। বিয়ের কিছুদিন পরেই তারা বিভিন্ন অজুহাতে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত। কিছুদিন পর তাদের ডিভোর্স হয়। একারণেই তার বৃদ্ধ বাবা চিন্তা করে করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শিক্ষক তাকে পড়াশোনার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। জয়ী অনেক উৎসাহ নিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হলো। সে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শেষে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে অনেক বেতনে চাকরি করে। তারপর বাবার বন্ধুর ছেলে আবার তাকে বিয়ে করতে চাইলে জয়ী এক কথায় অস্বীকৃতি জানায়।