প্রমিতার সর্বশেষ গৃহীত ব্যবস্থাটি হচ্ছে লিঙ্ক, স্থাপন করা। লিঙ্ক ব্যবস্থাটিকে হাইপারলিঙ্ক বলা হয়।
বিভিন্ন ধরণের তথ্যাবলির ভেতরে ভার্চুয়াল সংযোগ স্থাপন করার ব্যবস্থাই হচ্ছে হাইপারলিংক। বর্তমানে এটি ছাড়া ওয়েবসাইট কল্পনাও করা যায় না। কারণ বর্তমানে প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের মূল টপিকস লিস্ট অথবা মেনু তৈরি করে এর থেকে সাব-টপিকস তৈরি করা হয় যেখানে নির্দিষ্ট Topics সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ স্ট্রাকচারের ক্ষেত্র মূল বিষয় দিয়ে মেনু থেকে একটিকে সূচনা বা পথ প্রদর্শক ধরে আর একটি সাব টপিকস তৈরি করতে হয় যা একটি নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আলোচনার সূচনা হিসেবে কাজ করে। এ ধরণের ডিজাইন ব্যবহারের মাধ্যমে ইউজারদের তথ্য গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্বাধীনতা প্রদান করা যায়। ফলশ্রুতিতে ইউজাররা পেইজেটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। লিঙ্কের মাধ্যমে ইউজাররা পেইজটি প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই ওয়েবের এক পেইজ থেকে ওয়েবের অন্য পেইজে অনায়াসে যেতে পারবে এবং ওয়েব পেইজটির কোন অংশে ইউজার অবস্থান করছে, তা জানা তার জন্যে সহজবোধ্য হবে। ট্রি ডিজাইনের ক্ষেত্রে হোম পেইজটিতে সমস্ত ডকুমেন্টের পূর্ণাঙ্গ চিত্র সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য হোম পেইজে লিঙ্ক ব্যবহার করে ট্রি-র পরবর্তী পেইজগুলোতে যাওয়া যায়।
হাইপারলিঙ্ক-এর ব্যবস্থা না থাকলে ওয়েবসাইটের পেইজের অবস্থা অনেক বড় হবে। তাতে অনেক সমস্যা দেখা দিবে। একটি বড় ফাইল ডাউনলোড করতে সময় বেশি লাগবে। তাতে ইউজাররা বিরক্ত হবে তাছাড়া কোনো বিষয়কে খুজে পেতে স্ক্রোল করতে হবে। কোন নির্দিষ্ট পয়েন্টে নেভিগেট করা অনেক কষ্টের ব্যাপার অথবা হাইপারলিঙ্কের মাধ্যমে সহজেই সেটি করা যায়। তাছাড়া একটি ওয়েবসাইট থেকে অন্য ওয়েবসাইটে যেতেও হাইপারলিঙ্ক ছাড়া সম্ভব নয়। সুতরাং বলা যায় ওয়েবসাইটে হাইপারলিঙ্কের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।