যেহেতু 'ক' নামক বহুজাতিক কোম্পানির ওয়েবসাইটের পেইজগুলো অনেকদিক থেকে সংযুক্ত থাকে। সুতরাং ক নামক কোম্পানীর ওয়েবসাইট নেটওয়ার্ক কাঠামোতে আছে। এখানে সবগুলো ওয়েবপেইজের সাথেই সবগুলোর লিংক থাকে, অর্থাৎ একটি মেইন পেইজের সাথে যেমন অন্যান্য পেইজের লিংক থাকে তেমনি প্রতিটি পেইজের তাদের নিজেদের সাথে ও মেইন পেইজের সাথে লিংক থাকে। পেইজের সংখ্যা কম হলে এটি সবচেয়ে উত্তম কাঠামো কিন্তু পেইজের সংখ্যা বেশি হলে এটি ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে । তখন মেমোরি স্পেস নষ্ট হয়।
অন্যদিকে 'খ' কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইটের পেইজগুলো এমনভাবে তৈরি করেছে যার মূল পেইজের সাথে অন্যান্য পেইজগুলো সংযুক্ত থাকে । সুতরাং খ নামক কোম্পানির ওয়েবসাইট মেনু বা হায়ারার্কি কাঠামোতে আছে। এ ধরনের ডিজাইন ব্যবহারের মাধ্যমে ইউজারদের তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্বাধীনতা প্রদান করা যায়। ফলশ্রুতিতে ইউজাররা পেইজটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। লিংকের মাধ্যমে ইউজাররা প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই ওয়েবের এক পেইজ থেকে অন্য পেইজে অনায়াসে যেতে (Move) পারে ও ওয়েবপেইজটির কোন অংশে ইউজার অবস্থান করছে, তা তার জন্যে জানা সহজবোধ্য হয়। এই ডিজাইনের ক্ষেত্রে হোম পেইজটিতে সমস্ত ডকুমেন্টের পূর্ণাঙ্গ চিত্র সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য হোম পেইজে লিংক ব্যবহার করে এর পরবর্তী পেইজগুলোতে যাওয়া যায় ।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, 'ক' ও 'খ' কোম্পানির ওয়েবপেইজের কাঠামোর মধ্যে খ কোম্পানির কাঠামোটির ব্যবহার সুবিধাজনক ।