উদ্দীপকের পুরুষশাসিত বিরূপ সমাজব্যবস্থায় নারীর জীবনসংগ্রাম ও লড়াই করে টিকে থাকার সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের বহুলাংশে সাদৃশ্য রয়েছে।
'মাসি-পিসি' গল্পের সামন্তবাদী সমাজব্যবস্থার নির্মম রূপ ফুটে উঠেছে। এ গল্পের পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের ভাগ্যবিড়ম্বনার দিকটি স্পষ্ট। মাসি-পিসি মুজনেই স্বামীর সংসারে নিগ্রহের শিকার। এছাড়া আহ্লাদির অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা, চৌকিদার, গুন্ডা-বদমাশদের উপস্থিতি আলোচ্য গল্পের বিরূপ সমাজচিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছে।
উদ্দীপকে পুরুষশাসিত সমাজে শোষণের নগ্নরূপ অঙ্কিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত হয় মীনা ও তার মা রানুর । চরিত্রহীন মোড়লের হাত থেকে রক্ষা পেতে রানু তার মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেন। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মীনার ঠাঁই হয়নি। নির্যাতিত ও নিপীড়িত রানু ও মীনাকে অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। আলোচ্য গল্পেও পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থার ঘৃণ্য রূপ পরিলক্ষিত হয়। সুতরাং, প্রতিকূল সমাজচিত্রের দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য গল্পের সাদৃশ্য রয়েছে।