শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয়।" -এ ক্ষেত্রে তুমি কি মনে কর তা প্রবন্ধের আলোকে লেখ ৷

উত্তর: “উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয়।" - কথাটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক মানব কল্যাপের একটি সার্বজনীন ধারণা 'মানব উপস্থাপন করেছেন। প্রাবন্ধিকের মতে, মানুষকে আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত 'মানব-ক করার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে মানব কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়। এজন্য বিষয়টির সামান্য কিছু দান-খয়রাত দিয়ে মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ না করে মানুষের মর্যাদা | বাইরে গিে বৃদ্ধি ও মানবিক চেতনাকে বিকাশ করার ওপর তিনি পুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর আমাদের মতে, মানব-কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । উদ্দীপকে লেখক মতি গাজী সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না ৷ এটি মানব কল্যাণ' প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলেও সমগ্র ভাব নয়। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে উদ্দীপকের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। তবে রচনাটি মানব-কল্যাণের একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা প্রকাশ করেছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন, দান বা ভিক্ষা মানব মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করে। যে বা যারাই সামান্য কিছু দান করার মাধ্যমে মানবকল্যাণ করেছেন তারা মূলত মানুষকে অপমান করেন। কেননা এই সাময়িক দান করে মানব উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না। বরং যারা এ কাজ করেন তারা লোক দেখানো মানবকল্যাণ করে নিজেদের দানশীল প্রমাণেই ব্যস্ত থাকেন। প্রাবন্ধিকের মতে, এমন কর্ম বন্ধ করে সামগ্রিক ও স্থায়ী মানব উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালাতে হবে । বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন, সরকার ও ব্যক্তিকে বিভক্তিকরণ বন্ধ করে এক ও অভিন্ন লক্ষে মানব কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। আর তা হলো আত্মমর্যাদা সমুন্নত রেখে মানবের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চত করা। মুক্তবুদ্ধির মাধ্যমে পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব। সেদিকে লক্ষ রেখে সবাই কাজ করলে তবেই প্রকৃত মানবকল্যাণ করা হবে। 'মানকল্যাণ' প্রবন্ধের এই সামগ্রিক মানবকল্যাণ উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। কেবল সাময়িক দান খয়রাত যে মানব কল্যাণ হতে পারে না সে বিষয়টি উঠে আসায় উদ্দীপকটি 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধের সমস্তভাব নয়, আংশিক ভাব ধারণ করেছে বলাই সমীচীন।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : মানব-কল্যান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : মানব-কল্যান · সৃজনশীল

“উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয…

উদ্দীপক

মতি গাজী একজন লেখক। তিনি সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না ৷

Rajshahi · 2023

উত্তর

ইসলামের নবি বলেছেন, "ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।"

উত্তর

মানবকল্যাণ বলতে লেখক মূলত মানুষের ব্যবহারিক জীবনের কল্যাণকে বুঝিয়েছেন । সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষকে করুণাবশত দান – খয়রাত করাকে মানবকল্যাণ মনে করে । কিন্তু লেখকের মতে এমন ধারণা খুবই সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক । তাঁর মতে মানব – কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । এই কল্যাণের লক্ষ্য সব অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো । লেখকের বিশ্বাস , মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব ।

উত্তর

উদ্দীপকে মতি গাজীর চিন্তায় 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধের মানুষের সার্বিক কল্যাণের দিকটি প্রধান হয়ে উঠেছে। 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক বলতে চেয়েছেন, মানব-কল্যাণ মানব- মর্যাদার সহায়ক । মানুষকে মানুষ হিসেবে এবং মানবিক বৃত্তির বিকাশের পথেই বেড়ে উঠতে হবে, আর তার জন্য যথাযথ ক্ষেত্র রচনাই মানব- কল্যানের প্রাথমিক সোপান। সাধারণভাবে অনেকে দুস্থ মানুষদের করুণাবশত দান-খয়রাত করাকে মানব-কল্যাণ মনে করেন। কিন্তু লেখকের মতে, মানব কল্যাণের লক্ষ্য সকল অবমানাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো। উদ্দীপকের লেখক মতি গাজী সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। তিনি মনে করেন, এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না, যা 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধের চিন্তাকেই প্রতিফলিত করে।

উত্তর

“উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয়।" - কথাটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক মানব কল্যাপের একটি সার্বজনীন ধারণা 'মানব উপস্থাপন করেছেন। প্রাবন্ধিকের মতে, মানুষকে আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত 'মানব-ক করার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে মানব কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়। এজন্য বিষয়টির সামান্য কিছু দান-খয়রাত দিয়ে মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ না করে মানুষের মর্যাদা | বাইরে গিে বৃদ্ধি ও মানবিক চেতনাকে বিকাশ করার ওপর তিনি পুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর আমাদের মতে, মানব-কল্যাণ হলো মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস । উদ্দীপকে লেখক মতি গাজী সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না ৷ এটি মানব কল্যাণ' প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলেও সমগ্র ভাব নয়। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে উদ্দীপকের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। তবে রচনাটি মানব-কল্যাণের একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা প্রকাশ করেছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন, দান বা ভিক্ষা মানব মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করে। যে বা যারাই সামান্য কিছু দান করার মাধ্যমে মানবকল্যাণ করেছেন তারা মূলত মানুষকে অপমান করেন। কেননা এই সাময়িক দান করে মানব উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না। বরং যারা এ কাজ করেন তারা লোক দেখানো মানবকল্যাণ করে নিজেদের দানশীল প্রমাণেই ব্যস্ত থাকেন। প্রাবন্ধিকের মতে, এমন কর্ম বন্ধ করে সামগ্রিক ও স্থায়ী মানব উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালাতে হবে । বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন, সরকার ও ব্যক্তিকে বিভক্তিকরণ বন্ধ করে এক ও অভিন্ন লক্ষে মানব কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। আর তা হলো আত্মমর্যাদা সমুন্নত রেখে মানবের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চত করা। মুক্তবুদ্ধির মাধ্যমে পরিকল্পনামাফিক পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব। সেদিকে লক্ষ রেখে সবাই কাজ করলে তবেই প্রকৃত মানবকল্যাণ করা হবে। 'মানকল্যাণ' প্রবন্ধের এই সামগ্রিক মানবকল্যাণ উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। কেবল সাময়িক দান খয়রাত যে মানব কল্যাণ হতে পারে না সে বিষয়টি উঠে আসায় উদ্দীপকটি 'মানবকল্যাণ' প্রবন্ধের সমস্তভাব নয়, আংশিক ভাব ধারণ করেছে বলাই সমীচীন।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : মানব-কল্যান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.লেখকের মতে, মানব-কল্যাণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা আবুল ফজল কোন সরাসরি যুক্ত ছিলেন?

ঢাকা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'ওপরের হাত' বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আবুল ফজল অন্যদের সঙ্গে মিলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.লেখকের মতে, সমস্যা যত বড় আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বে প্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?

কুমিল্লা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'ওপরের হাত সব সময় নিচের থেকে শ্রেষ্ঠ'- কথাটি কে বলেছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.প্রতিটি মানুষের কল্যাণ কীসের সাথে সম্পর্কিত?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'মানবতন্ত্র' প্রবন্ধটির লেখক কে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?

বরিশাল বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

লেখকের মতে, মানব-কল্যাণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা আবুল ফজল কো'ওপরের হাত' বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?আবুল ফজল অন্যদের সঙ্গে মিলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?লেখকের মতে, সমস্যা যত বড় আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বে প্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?'ওপরের হাত সব সময় নিচের থেকে শ্রেষ্ঠ'- কথাটি কে বলেছেন?করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী?প্রতিটি মানুষের কল্যাণ কীসের সাথে সম্পর্কিত?'মানবতন্ত্র' প্রবন্ধটির লেখক কে?মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।