• 'জীবনে যদি দুঃখ-দৈন্য নেমে আসে, মাথা উঁচু করে তার মোকাবিলা করা উচিত।"- উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মন্তব্যটি যথোপযুক্ত।
• আত্মশক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দৃঢ়তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই হলো প্রকৃত জীবন পরিচালনা। বিপদে হাল না ছেড়ে সাহসিকতার সাথে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া সম্ভব।
• উদ্দীপকের কবিতাংশে তুলে ধরা হয়েছে যত কঠিন পরিস্থিতিই আসুক না কেন, কঠোর হস্তে তা মোকাবিলা করা উচিত। এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পথ প্রশস্ত করে এবং সফলতা এনে দেয়। 'মাসি-পিসি' গল্পেও এর বিশিষ্ট প্রভাব লক্ষ করা যায়। দুজন বিধবা, নিঃস্ব ও অসহায় নারীর কঠোর জীবনসংগ্রাম 'মাসি-পিসি' গল্পটিতে নিহিত। অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মাসি-পিসির সাহসী জীবনযুদ্ধ গল্পটিকে বিশেষ মাত্রা দান করেছে। দুর্ভিক্ষের সময় বাঁচার জন্য তারা সাংঘাতিকভাবে লড়ে। নারী হয়েও নৌকা চালিয়ে দূর-দূরান্তে গিয়ে সবজির ব্যাবসা করে। নিজেদের বাঁচার জন্য এই কঠিন সংগ্রামের ভেতরেই আহ্লাদি যখন তাদের কাছে আশ্রয় নেয়, তখন তারা আরও দৃঢ়তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করে। অত্যাচারী স্বামী ও লালসা উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও গুন্ডা-বদমাশদের আক্রমণ থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার সর্বাত্মকভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
• উদ্দীপকের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির সাহসী জীবনসংগ্রাম ও দৃঢ়তার সাথে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার বিষয়টির গভীর মিল লক্ষ করা যায়। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ হয়েছে।