'মাসি-পিসি' গল্পে জগু গোকুলের অর্থলোভ বেশি প্রকাশিত হয়েছে, বলে তাদের আচরণে পাশবিক কদর্যতা দেখা যায়।
'মাসি-পিসি' গল্পে ফুটে উঠেছে স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার আহ্লাদিকে নিরাপদে রাখার জন্য মাসি-পিসির সংগ্রামের দিকটি। সমাজে টিকে থাকতে হলে নারীদের যে কত প্রতিকূলতা সহ্য করতে হয় তারও রূপ ফুটে উঠেছে এ গল্পে।
উদ্দীপকের প্রতিমার স্বামী ও তার পরিবার ছিল যৌতুকলোভী ও অত্যাচারী। যৌতুকের টাকার জন্য তারা প্রতিমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী তাকে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে। এদিকে আহ্লাদির স্বামী ছিল মাদকাসক্ত। এ কারণে তার ওপর নির্যাতন চালাত সে।
অর্থলিপ্সার দিকটি উদ্দীপকে যেভাবে উঠে এসেছে, 'মাসি-পিসি' গল্পে সেভাবে উঠে আসেনি। যৌতুকের টাকাই প্রতিমার দুর্ভোগের কারণ। কিন্তু আহ্লাদির ক্ষেত্রে স্বামীর নেশাগ্রস্ত হওয়াটাই মুখ্য। আহ্লাদির ভাগে পড়া জমির প্রতি স্বামীর জগুর লোভ ছিল বৈকি, তবে সে দিকটি এ গল্পে মুখ্য হয়ে ওঠেনি। প্রতিমা ও আহ্লাদি দুজনই শ্বশুরবাড়ি থেকে নির্যাতনের শিকার হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন, অর্থলিন্সার দিকটি আলোচ্য গল্পে মুখ্য হয়ে ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ নয়।