উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বায়ো-ল্যাবে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য বৃদ্ধাঙ্গুলি রাখার প্রযুক্তিটি হলো ফ্রিংগারপ্রিন্ট। অন্যদিকে, কম্পিউটার সক্রিয় করার জন্য যন্ত্রের দিকে তাকানোর প্রযুক্তিটি হলো আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান। তবে আমি মনে করি, উক্ত দুটি পদ্ধতির মধ্যে চোখের আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান অধিক নির্ভযোগ্য।
আমরা জানি ফিংগার প্রিন্ট বা অঙুেলের ছাপ হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এফটি প্রযুক্তি, যাতে কোনো ব্যক্তির আঙুলের ডগায়- ছাপ নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পূর্বেই ব্যক্তির অঙুলের ছাপকে স্ক্যান করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে প্রযুক্তিটিতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি অধিক ব্যবহার করা হয়। তবে, এই পদ্ধতি নকল করা খুব সহজ।
অন্যদিকে, বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তিতে ব্যক্তি সনাক্তকরণের আদর্শ অঙ্গ হিসেবে আইরিশ ও রেটিনাকে বিবেচনা করা হয়। এই পদ্ধতিতে চোখ ও মাথাকে স্থির করে একটি ক্যামেরা সম্পন্ন ডিভাইসের সামনে দাঁড়াতে হয়। এই পদ্ধতি প্রয়োগে পাসপোর্টবিহীনভাবে এক দেশের সীমা অতিক্রম করে অন্য দেশে গমন সম্ভব হচ্ছে। এই পদ্ধতিটি অধিক নিয়াপত্তামূলক হওয়ায় সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, মিলিটারি, ও অর্থিক প্রতিষ্ঠানে বেশি ব্যবহৃত হয়। ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও সনাক্তকরণের সুক্ষতা হাতের ছাপ বা ফিংগার প্রিন্ট থেকে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।
সুতরাং উপরের সার্বিক আলোচনায় পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ফিংগার প্রিন্ট প্রযুক্তি থেকে আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান অধিক নির্ভরযোগ্য।