সমুদ্র উপকূলির্তী দ্বীপ হওয়ায় তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা উত্তম।
তারহীন যোগযাগের পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিটেম বলে। দুর্গম স্থানে তারের মাধ্যমে ডাটা পাঠনো সম্ভব নয়। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে অবস্থান করে। একে অন্যের সাথে কথা বলা, টেক্সট ম্যাসেজিং চ্যাটিং ইতাদি কাজ খুব অল্প সময়ে কম ধরচে দ্রুত করা যায়। ওয়্যারলেসের মাধ্যমে ডেটাকে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ আকারে পৃথিবীর বায়ু মন্ডলের মধ্যে দিয়ে সঞ্চালন করা হয়। ওয়্যারলেস কমিটনিকেশন নেটয়ার্কের ব্যাপ্তি কয়েক মিটার থেকে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বিভিন্ন ধরনের ফিক্সড মোবাইল এবং পোর্টেবল টু-ওয়েভ রেডিও, সেলুলার টেলিফোনসমূহ, পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্স এবং ওয়্যারলেস নেটওর্য়াকিং প্রভৃতি নিয়ে হয়ে থাকে।
অধিক দূরবর্তী স্থানে যেখানে তার ব্যবহার করে যোগাযোগের ব্যাপারটি অসম্ভব সেখানে ওয়্যারলেস পদ্ধতিতে খুব সহজেই যোগাযোগ করা হয়। প্রযুক্তিগত মিডিয়া হিসেবে রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড কাজ করে। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মাল্টি পয়েন্ট কমিউনিকেশন, ব্রযকাস্টিং সেলুলার নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য তারবিহীন নেটওয়ার্ক সম্পৃক্ত থাকে।