উদ্দীপকের চিত্র-১ হলো ট্রি টপোলজি এবং চিত্র-২ হলো হাইব্রিড টপোলজি।
বাস, স্টার, রিং প্রভৃতি টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক টপোলজিকে হাইব্রিড টপোলজি বলা হয়। যেমন ইন্টারনেট, কেননা ইন্টারনেট বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সব ধরণের টপোলজির মিলন দেখা যায়। এ টপোলজিতে প্রয়োজন অনুসারে নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব। কোনো একটি অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট হয় না বরং অংশবিশেষ নষ্ট হয়। বৃহৎ পরিসরের নেটওয়ার্ক হওয়ায় এর ডেটা আদান-প্রদান অন্য নেটওয়ার্ক টপোলজি থেকে সহজ।
অপরদিকে ট্রি টপোলজির ক্ষেত্রে কম্পিউটারগুলো একাধিক Hub ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সংযুক্ত থাকে। একে রুট (Root) বলে। সেখানে কম্পিউটারগুলোতে সংকেত পাঠানোর গতি বৃদ্ধির জন্য উচ্চতর গতিবিশিষ্ট সংকেত দ্বারা সার্ভার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। এ টপোলজিতে আর্ভার কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হলে অন্য সকল সংযুক্ত কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
হাইব্রিড কম্পিউটারের তুলনায় ট্রি টপোলজির ডেটা আদান প্রদান করা কম সহজ। হাইব্রিড টপোলজির ডেটা আদান-প্রদান তুলনামূলক সহজ।