উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম বিষয়টি হচ্ছে বিজ্ঞান ও কল্পনার সমন্বয়। বিজ্ঞান ও কল্পনার সমন্বয়ে মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সমস্যার গঠনমূলক সমাধানের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
বিজ্ঞান ও কল্পনার সমন্বয়ে গড়ে ওঠে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো সেই প্রযুক্তি যা ত্রিমাত্মিক বিশ্ব সৃষ্টি করে এবং যার দৃশ্যমানতা বাহক জীবন্ত।
এ প্রযুক্তির মাধ্যমে নগর পরিকল্পনার কাজে ব্যবহার করা যায়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পরিবেশে বাস্তব নয় ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে নগরের সকল কার্যক্রম যেমন- মৌলিক সুবিধা, ইন্টারনেট সুবিধা, বর্জ্য অপসারণ, নিরাপদ পানি, যাতায়াতের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, ইন্টারনেট ব্যাংকিং। বিভিন্ন নাগরিক সেবা ইত্যাদিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। ফলে যেকোনো মানুষ কোনো প্রকার শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়ায় উন্নত নগর তৈরির অভিজ্ঞতা পাচ্ছে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে যেকোনো দৃশ্য দেখা ও শোনা যায়। হাতের সাথে সংযুক্ত প্রয়োজনীয় কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সঙ্গে প্রয়োজনীয় দৃশ্যের অবতারণা এবং কোনো নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশ বাস্তবায়ন করে ব্যবহারকারীকে অনুভবের এক অনন্য পৃথিবীতে নিয়ে যায়। প্রকৃত পক্ষে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে চেতনা উদ্রেককারী বাস্তবতা।