উদ্দিপকের দৃশ্যকল্প-২ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংকে নির্দেশ করেছে।
জীবকোষের ক্রোমোজমে অবস্থিত কোনো নিদিষ্ট জিন অথবা জিন সমষ্টির জেনেটিক পরিবর্তন প্রতিস্থাপন পূনবিন্যাস করণ সংশ্লেষন করন, ক্রুটি সমূহ দূরীকরন প্রভৃতিকে জিন প্রকৌশল বলে। জিন প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বিশেষ জিনকে ক্রোমোজমের ডি এন এ (DNA) অনুথেকে পৃথক করে তাকে কাজে লাগানো। এ পৃথকীকৃত জিনটিকে কোনো জীবকোষে প্রবেশ করিয়ে এর বংশগতি পরিবর্তন করা সম্ভব। জিন প্রকৌশলের ব্যবহারে আমাদের দেশের অনেক উন্নয়ন সম্ভব। জিন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যকটেরিয়া বা অনুজীব থেকে জীবন রক্ষাকারী ঔষধ বানানো যাচ্ছে। তাছাড়া মানুষের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা যাচ্ছে।
রিকম্বিনেট DNA তৈরীর মাধ্যমে মানুষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনকারী হারমোন নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে। অধিক ফলনশীল উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়াও অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যবহারের ফলে আমরা উপকৃত হচ্ছি।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জিন প্রকৌশলের অনেক সুবিধা থাকলেও এর বেশকিছু ক্ষতিকর ও ভয়াবহ দিক রয়েছে। এর যথেষ্ট ব্যবহারে নেমে আসতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়। রিকম্ভিনেট DNA কোনো কারনে ক্ষতিকর হয়ে পড়লে জীব জগতে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে, নিবেশিত জিন বিশাক্ত প্রোটিন সংশ্লেষণ করলে ক্যান্সার সহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। তাছাড়াও আরও অনেক অসুবিধা রয়েছে। সুতরাং উদ্দিপকের দৃশ্যকল্প-২ এর যেথেষ্ট ব্যবহার আমাদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।