উদ্দীপকে উল্লিখিত ডিবাসটি উন্নত করার জন্য কাল্পনিক ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি। অর্থাৎ ডিভাইসটি উন্নত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে নানা ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। যেমন -
১. বিনোদন ক্ষেত্রে: ভার্চুয়ালিটি এক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত। আজকালকার প্রায় প্রতিটি চলচ্চিত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহৃত পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে নানা ধরনের কম্পিউটার গেম তৈরি করা হচ্ছে। মিউজিয়াম ও ঐতিহাসিক স্থানের দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
২. যানবাহন চালান ও প্রশিক্ষণে: বিমান, মোটরগাড়ি, জাহাজ ইত্যাদি চালানোর প্রশিক্ষণের সংশ্লিষ্ট সিম্যুলেটর ও মডেলিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ -সংশ্লিষ্ট কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বাস্তবে ন্যায় প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।
৩. শিক্ষা ও গবেষণায়: শিখন-শেখানো কার্যক্রমে জটিল বিষয়গুলোকে সিমুলেশন ও মডেলিং করে শিক্ষার্থীদের সামনে সহজবোধ্য ও চিওাকর্ষভাবে উপস্থাপন করা যায়। গবেষণালব্ধ ফলাফল বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন, জটিল অনুর আনুবিক গঠন,ডিএনএ গঠন সিম্যুলেশন এর মাধ্যমে দেখা যায়।
৪. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: জটিল অপারেশন কৃএিম অঙ্গ -প্রত্যঙ্গ সংযোজন ডিএনএ পর্যালোচনা ইত্যাদি সহ শল্য চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও রোগ নির্ণয়ের ব্যাপক হারে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
৫. সামরিক প্রশিক্ষণে: ভার্চুয়াল রিলেটির মাধ্যমে সত্যিকারের যুদ্ধক্ষেত্রে আবহ তৈরি করে সৈনিকদেরকে উন্নত ও নিখুঁত প্রশিক্ষণ প্রদান করা যায়।
৬. ব্যবসা-বাণিজ্য: উৎপাদিত ও প্রস্তাবিত পণের গুণগতমান, গঠন, বিপণন, সম্ভাব্যাতা যাচাই, মুল্যায়ন, বিপণণ কর্মী প্রশিক্ষণ ইত্যাদি সব ধরনের কার্যক্রমের সিমুলেশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায় আমাদের জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির প্রভাব অনেক গুরুত্বপূর্ণ।