উদ্দীপকের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির প্রযুক্তিটি হলো বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি। নিচে উক্ত প্রযুক্তিটি বর্ণনা করা হলো:মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট পরিমাপের ভিত্তিতে কোনা ব্যাক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য বাবহৃত প্রযুক্তিই হলো বায়োমেট্রিক ৷ শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতির একটি কৌশল হলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট। আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট হলো কোনো বাক্তিকে যথাযথভাবে শনাক্ত করার জনা উক্ত ব্যাক্তির আঙুলের ছাপকে শনাক্তকারী একক হিসেবে ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যাক্তির আঙুলের ছাপ পূর্ব হতেই আঙুলের ছাপ পড়তে পারে এমন মেশিনের (ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার) সাহায্যে ডেটাবেসে সংরক্ষণ করে রাখতে হয়। পরবর্তীতে যখন একই ব্যাক্তি ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারে আঙুল রাখে তখন যে আঙুলের ছাপের ছবি তৈরি হয় তা পূর্বে ডেটাবেসে রক্ষিত ছবির সাথে মিলিয়ে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে মেশিনটির আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের ওপর ভিত্তি করে ইলেকট্টোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে। বায়োমেট্রিক্স ডিভাইসগুলোর মধ্যে বিশ্বজুড়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারের জনপ্রিয়তা সর্বাধিক৷ তুলনামূলকভাবে কম দামী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি এবং প্রচুর ডেটা রাখতে পারে বলে আজকাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মী ও অন্যান্যদের প্রবেশ ও বের হবার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।