"আগামী বিশ্ব হবে ন্যানো টেকনোলজির বিশ্ব"। ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার আকৃতির কোন কিছু তৈরি করা ও ব্যবহার করার প্রযুক্তিই হলো ন্যানোটেকনোলজি। ন্যানো টেকনোলজি অনু-পরমাণু পর্যায়ে অতি ক্ষুদ্র ও সূক্ষ যন্ত্র তৈরীর কাজে ব্যবহার করা হয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃহৎ স্কেলে পণ্য উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে এবং উৎপাদিত পণ্য আকারে সূক্ষ্ম ও ছোট হলেও অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই ও হালকা হয়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আগামীতে দুরারোগ্য ব্যাধি হতে মুক্তি, প্রতিরক্ষায় ন্যানো রোবট, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিশ্বব্যাপী বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কার্যকরী ও সস্তায় শক্তি উৎপাদন সহ পানি ও বায়ু দূষণ কমানোর সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই বলা যায়, আগামী বিশ্ব হবে ন্যানো টেকনোলজির বিশ্ব।
HSC ICT Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · ICT · Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত · সৃজনশীল
"আগামী বিশ্ব হবে ন্যানো টেকনোলজির বিশ্ব"। ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর