উদ্দীপকে ডক্টর খলিলের গবেষণা প্রযুক্তিতে হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। জীবদেহে জিনোম কে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়ে কিংবা একাধিক জীবের জিনোম কে জোড়া লাগিয়ে নতুন জীব সৃষ্টির কৌশলই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈশিষ্ট্যের বাহক হচ্ছে জিন। অন্যদিকে জিনম হলো জীবের বৈশিষ্ট্যের নকশা বা বিন্যাস। কোন উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন করতে চাইলে উক্ত উদ্ভিদের জিনোমের কোন একটি জিনকে পরিবর্তন করে দিতে হয়। যেহেতু জিনগুলো আসলে ডিএনএ-র অংশ, তাই একটা জিনকে পরিবর্তন করতে হলে ল্যাবরেটরীতে ডিএনএ-র সেই অংশটুকু কেটে আলাদা করে অন্যপ্রাণী বা ব্যাকটেরিয়া থেকে আরেকটি জিন কেটে এনে সেখানে লাগিয়ে দিতে হয়। এর ফলে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন কাঙ্খিত উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় ডক্টর খলিল অধিক ফসল উৎপাদনকারী বীজ আবিষ্কারের জন্য উপরের বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। অর্থাৎ তিনি নির্দিষ্ট উদ্ভিদের ডিএনএ নির্দিষ্ট জিনকে কেটে আলাদা করে সেখানে সুনির্দিষ্ট জিনকে জোড়া লাগিয়ে নতুন প্রজাতির অধিক ফসল উৎপাদনকারী বীজ আবিষ্কার করেন।