উদ্দীপকে ICT শিক্ষক ল্যাবে প্রবেশের জন্য কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে আইরিশ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তার পরামর্শ যথেষ্ট যৌক্তিক। নিচে এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-
একজন মানুষের চোখের মণির দৃশ্যমান রঙিন অংশ অপর কোনো মানুষের চোখের মণির সাথে মিল পাওয়া যায় না। এটি অদ্বিতীয় ও স্থায়ী। চোখের মণির চারপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় বিশ্লেষণ করে এ পদ্ধতিতে শনাক্তকরণ করা হয়। এ পদ্ধতিতে চোখ ও মাথাকে স্থির করে একটি ক্যামেরাসম্পন্ন ডিভাইসের সামনে দাঁড়াতে হয়। এতে প্রায় ১ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় লাগে। পূর্ব থেকে ধারণ করা চোখের আইরিশের প্যাটার্নের সাথে মিলিয়ে শনাক্তকরণ করা হয়।
অন্যদিকে কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ পদ্ধতির ক্ষেত্রে কখনো কেউ অসুস্থ হলে যেমন- গলা ব্যথা, ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ইত্যাদি কারণে কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়ে গেলে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না। এছাড়া ভয়েস রেকর্ডার ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির কণ্ঠ নকল করা সম্ভব। পক্ষান্তরে আইরিশ স্ক্যানিং পদ্ধতিতে শনাক্তকরণে খুবই কম সময় লাগে। কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণের তুলনায় এ পদ্ধতির ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে বেশি। এটি নিরাপত্তামূলক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, যা স্থায়ী এবং দৃশ্যমান।
তাই উক্ত আলোচনার উপর ভিত্তি করে বলা যায় যে উদ্দীপকের ICT শিক্ষকের ল্যাবের দরজা খোলার জন্য আইরিশ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ সম্পূর্ণ যৌক্তিক।