উদ্দীপকের ডঃ রফিক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণা করছেন। নিচে এর প্রয়োগক্ষেত্র ব্যাখ্যা করা হলো-
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির সাহায্যে বর্তমানে বিভিন্ন প্রজাতি থেকে কাঙ্ক্ষিত জিন সংগ্রহ করে ফসলী উদ্ভিদে প্রতিস্থাপন করে বা জিনের গঠন ও বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটিয়ে অধিক ফলনশীল জাত উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। জিন প্রযুক্তির সাফল্যময় অবদান হচ্ছে ক্লোনকৃত জিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েক প্রকার প্রোটিন তৈরি করা। এসব প্রোটিন জটিল রোগ নিরাময়ে মানুষের চিকিৎসায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। উন্নতজাতের পশু উৎপাদনের লক্ষ্য হচ্ছে চর্বিমুক্ত মাংস উৎপাদন, দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি, দ্রুত বিক্রয়যোগ্য করা, দ্রুত বৃদ্ধি সম্পন্ন করা, রোগ প্রতিরোধী এবং কিছু মূল্যবান প্রোটিন উৎপাদনসমৃদ্ধ করা। বিভিন্ন ট্রান্সজেনিক প্রাণী যেমন- মুরগি, খরগোশ, গরু, ভেড়া তৈরিতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি গবাদি পশুর দুধ থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি তৈরি করা হয়। এছাড়াও সেরোলজি পদ্ধতিতে রক্ত, বীর্য রস, মূত্র, অশ্রু, লালা ইত্যাদির ডিএনএ অথবা অ্যান্টিবডি থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে ফরেনসিক টেস্টের মাধ্যমে অপরাধীকে শনাক্ত করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও রোগাক্রান্ত উদ্ভিদের রোগ নিয়ন্ত্রণেও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।