উদ্দীপকে আণবিক স্কেলে পণ্য উৎপাদনের ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি। নিচে এর ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা করা হলো-
১. 'ন্যানোটেকনোলজি প্রসেসরের উচ্চ গতি, দীর্ঘস্থায়িত্ব, কম শক্তি খরচ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে ব্যবহার্য। সেই সাথে ডিসপ্লে ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়তা করে।
২. ন্যানো-রোবট ব্যবহার করে অপারেশন করা, যেমন-এনজিওপ্লাস্টি; সরাসরি রোগাক্রান্ত সেলে চিকিৎসা প্রদান করা, যেমন- ন্যানো ক্রায়োসার্জারি; ডায়াগনোসিস করা, যেমন-এন্ডোস্কপি, এনজিওগ্রাম, কলোনোস্কপি ইত্যাদি সম্ভব।
৩. খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেটিং, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে, খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ম্যাটেরিয়াল তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. জ্বালানি উৎসের বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফুয়েল তৈরির কাজে ব্যবহার হয়।
৫. হালকা ওজনের ও কম জ্বালানি চাহিদা সম্পন্ন গাড়ি প্রস্তুতকরণে ব্যবহার হয়।
৬. বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী যেমন- ক্রিকেট, টেনিস বলের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য, ফুটবলের বাতাসে ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যবহার হয়।
৭. শিল্প কারখানার ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্যকে ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহার করে অক্ষতিকর বস্তুকে রূপান্তর করে পানিতে নিষ্কাশিত করা যায়।
৮. প্রসাধনীতে জিংক অক্সাইড এর ন্যানো পার্টিকেল যুক্ত হওয়ায় ত্বকের ক্যান্সার রোধ সম্ভব হয়েছে। সেই সাথে সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চরাইজার তৈরির কাজে ব্যবহার্য রাসায়নিক পদার্থ তৈরির ক্ষেত্রে এবং এন্টি এজিং ক্রিম তৈরিতেও ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।