ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
উত্তর: ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন-ডিমান্ড ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) পরিষেবা সরবরাহের একটি পদ্ধতি। এতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের কম্পিউটার বা সার্ভারে সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ইনস্টল না করেই বিভিন্ন পরিষেবা যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। উদাহরণ: Gmail: ইমেইল পরিষেবা যা ক্লাউডের মাধ্যমে পরিচালিত। Google Drive: ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করার ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম। Netflix: ভিডিও স্ট্রিমিং পরিষেবা যা ক্লাউড অবকাঠামোর উপর নির্ভরশীল।
HSC ICT Chapter 2 : কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · ICT · Chapter 2 : কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং · সৃজনশীল
ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
উদ্দীপক
নটরডেম কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
বাস টপোলজির অসুবিধা:
১. ডেটা চলাচলের গতি কম।
২: এ ধরনের নেটওয়ার্কের ত্রুটি নির্ণয় বেশ জটিল।
৩. নেটওয়ার্কে কম্পিউটারের সংখ্যা বেশি হলে ডেটা ট্রান্সমিশন বিঘ্নিত হয়।
৪. ডেটা সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা থাকে।
রিং টপোলজির অসুবিধা:
১. এ টপোলজিতে কোনো কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
২. নতুন কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজন হলে পূর্বের সিস্টেম ভেঙ্গে নতুনভাবে তৈরি করতে হয়।
৩. এ টপোলজিতে জটিল নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়।
৪. ডেটা চলাচলের গতি কম এবং খরচও বেশি।
স্টার টপোলজির অসুবিধা :
১. হাব বা সুইচ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম অচল হয়ে যায়।
২. প্রতিটি কম্পিউটার হাব এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য প্রচুর ক্যাবলের প্রয়োজন হয়, যা ব্যয়বহুল।
৩. কম্পিউটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ডেটা পারাপারের গতি কমে যায়।
৪. নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো পরস্পরের মধ্যে বা সরাসরি তথ্য বা ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম হয় না।
মেশ টপোলজির অসুবিধা:
১. নেটওয়ার্ক ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশন বেশ জটিল।
২. সংযোগ লাইনগুলোর দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় খরচ বেশি হয়।
উক্ত আলোচনার উপর ভিত্তি করে বলা যায় যে মেশ টপোলজির অসুবিধা সব থেকে কম।