সার্ভিস প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো অনুযায়ী কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরূপে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক,
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক,
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক।
উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী রহিমের অফিসে সার্ভারের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো যুক্ত। এজন্য সার্ভিস প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ভিত্তিতে উক্ত নেটওয়ার্কটিকে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক বলা যায়। ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়। এ সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে। সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে। একই সাথে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে। ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক আবার দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- ক. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক ও খ. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক।
ক. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান বা
হোস্ট কম্পিউটার এবং টার্মিনাল নিয়ে গঠিত। প্রধান কম্পিউটারই সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে। হোস্ট হিসেবে সাধারণত মেইনফ্রেম বা অন্য কোন শক্তিশালী সার্ভার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। উদ্দীপকের রহিমের শাখা অফিসে ১০টি কম্পিউটার ১টি সার্ভার কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত। তাই, শাখা অফিসের নেটওয়ার্কটি সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক।
খ. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক : ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক পরস্পর
সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে গঠিত। ওয়ার্কস্টেশনের সাহায্যে সংযুক্ত সার্ভার কম্পিউটারের সার্ভিস গ্রহণ করা যায়। উদ্দীপকের রহিমের মূল অফিসের ৫০টি কম্পিউটার ৫টি সার্ভারের সাথে যুক্ত। তাই এটি একটি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক।