পাটের জিনোম সিকুয়েন্স গবেষণায় চিত্র-১ এর ভূমিকা বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র-১ হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। পাটের জিনোম সিকুয়েন্স গবেষণায় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- জিনোম হলো জীবের বংশগতির নীল নকশা। 'পাটের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে এর জীবন চক্র এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়। এর ফলে উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সফল প্রয়োগ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী জনাব মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে আমাদের দেশের সোনালি. আঁশ পাটকে বিশ্ব দরবারে হারানো ঐতিহ্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে পাটের জিনোমে পরিবর্তন ঘটিয়ে উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন সম্ভব হচ্ছে। পাটের বিভিন্ন রোগ (যেমন : কান্ড পচা, শিকড় পচা) প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করে এসব রোগ থেকে ফসলকে রক্ষা করা যায়। পাটের আঁশের গুণগত মান যেমন-দৈর্ঘ্য, দৃঢ়তা উজ্জ্বলতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে উন্নত করা সম্ভব। প্রতিকূল পরিবেশে (বন্যা, খরা, লবণাক্ততা) পাট চাষের জন্য সহনশীল জাত উদ্ভাবন, কীটপতঙ্গ ও আগাছা সহনশীল জাত উদ্ভাবন সম্ভব জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে। CRIS PR-Cas 9 এর মতো জিনোম সম্পাদনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাটের নির্দিষ্ট পরিবর্তন আনা সম্ভব। এতে করে উন্নত বৈশিষ্ট্যের পাট উৎপাদন করা যায়। ফলে পাটের উৎপাদনশীলতা এবং গুণগত মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি পাটের জিনোম গবেষণায় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
HSC ICT Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · ICT · Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত · সৃজনশীল
পাটের জিনোম সিকুয়েন্স গবেষণায় চিত্র-১ এর ভূমিকা বর্ণনা কর।
উদ্দীপক

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর