উদ্দিপক্ষের চিত্র-১ এর সংগঠনটি হচ্ছে বাস টপোলজি এবং চিত্র ২ এর সংগঠনটি হচ্ছে ট্রি টপোলজি।
বাস নেটওয়ার্ক গঠনে একটি সংযোগ লাইনের সবগুলি নোড যুক্ত থাকে। সংযোগ লাইনকে সাধারণত বাস বলা হয়। এটির দুই প্রান্তে দুটি টার্মিনাল থাকে। বাস নেটওয়ার্কের কোন কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে অন্য কম্পিউটারের কাজ করতে কোন সমস্যা হয় না। সহজেই কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব। নেটওয়ার্কের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করতে সবচেয়ে কম ক্যাবল ব্যবহৃত হয়, তার খরচও কম।
অন্যদিকে, ট্রি টপোলজি এমন একটি ট্রি টপোলজি যাতে একটি Root নোডের সাথে সার্ভার বা বিশেষ কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে। এই রোট নোডের সাথে হায়ার্রকি অনুসারে বিভিন্ন স্তরের ডিভাইস নেটওয়ার্ক হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। তাই এটিকে হায়ারারর্কিক্যাল টপোলজিও বলা হয়। এই টপোলজিতে একাধিক সুইচ তা হাব ব্যবহার করা হয় বলে খরচ একটু বেশি হয়। রোট নোডে কোনো সমস্য দেখা দিলে পুরো সিস্টেমটি নষ্ট হয়ে যায়, যা ব্যয় বহুল ও টপোলজির গঠন প্রক্রিয়াও বেশ জটিল। সার্বিকভাবে বাস্তবায়ন ব্যয় তুলনামুলক অনেক বেশি।
তাই, উপরের সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ট্রি টপোলজির তুলনায় বাস টপোলজি অধিক সুবিধাজনক ও ব্যয় সাশ্রয়ী। ফলে কম খরচে ল্যাব স্থাপনের জন্য বাস টপোলজি যথাপোযুক্ত।