উদ্দীপকে শফিক সাহেব যে ফোনটি ব্যবহার করতেন তা হলো তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোন। অন্যদিকে নতুন ফোনটি ক্রয়ের পরে রাজারে যে আরও উন্নত প্রযুক্তি সংবলিত ফোন দেখতে পেলেন সেটা হলো পতম প্রজন্মের (SG) মোবাইল ফোন। নিচে 3G ও 5G মোবাইলের প্রযুক্তিগত পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
১. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে HISPA, WCDMA, 3GP,
UMTS স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তির ব্যবহার হতো। অন্যদিকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড হলো MIMO (Multiple Input - Multiple Output), SG NR ( Radio Technology ), RAT (Radio Access 'Technology)।
২. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ ছিল 2 Mbps। অন্যদিকে পত্রম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সফার রেট 20 Gbps সর্বোচ্চ।
৩. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে 'ন্যানোব্যান্ডের ইন্টারনেট ব্যবহার হতো। পক্ষান্তরে পণাম প্রজন্মের মোবাইল ফোনে মিলিমিটার ব্যান্ডের ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে।
৪. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ভয়েস কল, মোবাইল টিভি ও ভিডিও কলের প্রচলন শুরু হয়। অন্যদিকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইলে হাইডেফিনেশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, 4K টিভি বা ভিডিও ইত্যাদি সুবিধাসহ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
৫. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইলের ব্যান্ডউইথ 100 MHz অন্যদিকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইলের ব্যান্ডউইথ 100 × BW (P/U) ।
৬. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইলের ফ্রিকোয়েন্সী 1.6 - 2 GHz অন্যদিকে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইলের ফ্রিকুয়েন্সী 3 - 300 GHz ।