উদ্দীপকে উল্লেখিত (i)নং স্ট্যান্ডারটি অর্থাৎ UMTS তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়। তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হল।
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়েছে। সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশে বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম। প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুদৃঢ়।এতে অবশ্যই উপস্থিত পদ্ধতি চলে। পূর্বের তুলনায় উৎসব ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডাটা ট্রান্সফার রেট 2 mbps এর বেশি)। ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয়। তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের মূলত চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়। এগুলো হলো-
১. HSPA (High Speed Package Access)
২. WCDMA (White Band Code Division Multiple Access)
৩. 3GPP (Third Gen Partnership Project)
৪. UMTS (Universal Mobile telecommunication system)