ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: ডেটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ডেটার দিক কী হবে অর্থাৎ ডেটা কোন দিক থেকে কোন দিকে যাবে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডেটা কমিউনিকেশনের সময় ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। দিকের উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা: সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স এবং ফুল-ডুপ্লেক্স। আবার গ্রহীতার উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ইউনিকাস্ট, ব্রডকাস্ট, মাল্টিকাস্ট।
HSC ICT Chapter 2 : কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · ICT · Chapter 2 : কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং · সৃজনশীল
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক

Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর প্রতিটি কম্পিউটার পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করলে যে টপোলজি তৈরি হবে তাহলো মেশ টপোলজি। মেশ টপোলজির ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের অধীনস্ত প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য সব কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। এতে প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশনের মধ্যে আলাদা আলাদা লিংক বা বাস থাকে। তাই প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশন সরাসরি যেকোনো ওয়ার্কস্টেশনের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। সংযোগের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বড় ধরনের নেটওয়ার্কে মেশ টপোলজির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা কষ্টকর হয়ে পড়ে। মেশ টপোলজি ইনস্টল ও ম্যানেজ করা- কঠিন। এতে অনেক সংযোগ তৈরি করতে হয়। নেটওয়ার্কে নোড বাড়ার সাথে সাথে সংযোগ সংখ্যাও বেড়ে যায়। যেকোনো দুইটি নোডের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সংকেত আদান-প্রদান করা যায়। কোনো কম্পিটার বা সংযোগ লাইন নষ্ট হয়ে গেলে তেমন কোনো অসুবিধা হয় না। অর্থাৎ সহজে নেটওয়ার্ক খুব বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় না। এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে। নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।উত্তর