শেয়ারFacebookWhatsApp

"ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?” কে, কেন বলা হয়েছে?

উত্তর: • ঝড়-বৃষ্টির রাতে জমিলাকে মাজার আঙিনায় বেঁধে রেখে, মাঠের ধানের ক্ষতি সম্পর্কে মজিদ কথা বলায় রহিমা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। • মজিদ কূটকৌশলী, ধর্মব্যবসায়ী, প্রতারক। মহব্বতনগর গ্রামের কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। অথচ তার দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলা তার কথা শোনে না। এক রাতে তাকে মাজারের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষণ পর বাইরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। সেই অবস্থায় নির্দয় মজিদ জমিলার কথা না ভেবে মাঠে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেই কথা বলতে থাকে। তখন রহিমা ক্ষোভ প্রকাশ করে জমিলাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসতে মজিদকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে। উপন্যাসজুড়ে ব্যক্তিত্বহীন রহিমা এখানে এসে মাতৃত্বের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্বময়ী হয়ে উঠেছে।

HSC Bangla 1st Paper উপন্যাস : লালসালু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · উপন্যাস : লালসালু · সৃজনশীল

"ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?” কে, কেন বলা হয়েছে?

উদ্দীপক

আব্বাস মিয়া তার গ্রামের লোকদের মধ্যে অবস্থাসম্পন্ন কৃষক। কিন্তু গত দুই বছর তার জমিতে ফসল ফলেনি। কখনো অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি ও অপুষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছিল। আব্বাস মিয়া এ সমস্যার কথা জানালেন তার গ্রামের মাজারের খাদেমকে। খাদেম সাহেব সব শুনে বললেন, আব্বাস মিয়ার জমিতে বদ জিনের কু-নজর পড়েছে। যদি মাজারে কিছু টাকা হাদিয়া দেওয়া হয় এবং মিলাদ পড়িয়ে সবাইকে শিরনি খাওয়ানো হয়, তাহলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ · 2025

উত্তর

'কলমা জানো মিঞা'- মজিদ এ প্রশ্ন দুদু মিঞাকে করেছিল।

উত্তর

• ঝড়-বৃষ্টির রাতে জমিলাকে মাজার আঙিনায় বেঁধে রেখে, মাঠের ধানের ক্ষতি সম্পর্কে মজিদ কথা বলায় রহিমা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। • মজিদ কূটকৌশলী, ধর্মব্যবসায়ী, প্রতারক। মহব্বতনগর গ্রামের কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। অথচ তার দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলা তার কথা শোনে না। এক রাতে তাকে মাজারের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষণ পর বাইরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। সেই অবস্থায় নির্দয় মজিদ জমিলার কথা না ভেবে মাঠে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেই কথা বলতে থাকে। তখন রহিমা ক্ষোভ প্রকাশ করে জমিলাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসতে মজিদকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে। উপন্যাসজুড়ে ব্যক্তিত্বহীন রহিমা এখানে এসে মাতৃত্বের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্বময়ী হয়ে উঠেছে।

উত্তর

• উদ্দীপকে খাদেমের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ধর্মের নামে ভণ্ডামির দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। • আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ আছে যারা মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে ব্যবসা করে। ধর্মের লেবাস পরে তারা সরল বিশ্বাসী মানুষের সাথে প্রতারণা করে। • উদ্দীপকের খাদেম একজন ধর্মব্যবসায়ী। এক কৃষকের জমিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসল না ফললেও খাদেম এটাকে বদ জিনের আছর বলে ব্যাখ্যা করে এবং মাজারে হাদিয়া ও শিরনি দেওয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে বলে। এর পেছনে খাদেমের মূল উদ্দেশ্য ছিল নিজের ব্যবসাকে চাঙ্গা করা। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও এরকম ভন্ড মাজার ব্যবসায়ী। মজিদ ধর্মের লেবাস পরে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষকে শোষণ করে। যেমন খ্যাংড়া বুড়ির ছেলে মরে গেলে, সে মৃত ছেলেকে ফেরত পাওয়ার জন্য মাজারে টাকা দেয়। মৃত মানুষ ফিরে আসে না জেনেও মজিদ তা গ্রহণ করে। এভাবেই ক্রমাগত মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে উদ্দীপকের খাদেম ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ধর্মব্যবসা করে।

উত্তর

• "ধর্মব্যবসা ভণ্ড লোকের অন্যতম হাতিয়ার"- উক্তিটি মজিদ ও খাদেমের আলোকে যথার্থ। • আত্মস্বার্থের জন্য যারা অন্যকে ঠকায় তারা প্রতারক। সাধারণ মানুষের অন্ধবিশ্বাস ও অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে। ধর্মকে তারা ব্যবসায়ের পুঁজি হিসেবে গ্রহণ করে। • 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একজন প্রতারক ও ধর্মব্যবসায়ী। সে মহব্বতনগর গ্রামের, কুসংস্কারাচ্ছন্ন অশিক্ষিত দরিদ্র মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মাজার ব্যবসা করে। মানুষকে পানিপড়া, ঝাড়ফুঁক দেয়। মাজারই তার অর্থ ও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। ধূর্ত মজিদ লোক ঠকিয়েই নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি গড়ে তোলে। মজিদের মতো উদ্দীপকের খাদেমও লোক ঠকায়। তারা উভয়ই সহজ-সরল, অশিক্ষিত মানুষদের সমস্যা সমাধানের নাম করে বোকা বানায়। • 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ও উদ্দীপকের খাদেম উভয়েরই ব্যবসা গড়ে ওঠে মাজারকে কেন্দ্র করে। সাধারণ মানুষ ধর্মকে ভয় পায়। ধর্মকে নিয়ে প্রশ্ন করার সাহস ও সচেতনতা নেই। তাদের এই সরলতার সুযোগ নিয়ে তারা ধর্মকে তাদের ব্যবসার হাতিয়ার করে প্রতারণা করে। এভাবেই সাধারণ মানুষদের মাজারের ভয় দেখিয়ে ধর্মকে পুঁজি করে উদ্দীপকের খাদেম ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ তাদের জীবিকার সন্ধান করে। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperউপন্যাস : লালসালুরংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?

  • অবধারিত
  • নাটকীয়
  • কাব্যিক
  • স্বাভাবিক

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিশ্বাস
  • আনুগত্য
  • ভীতি
  • অনুরাগ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?

  • তাহের
  • খালেক
  • আক্কাস
  • ধলা মিয়া

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

  • ১৯২০
  • ১৯২২
  • ১৮২০
  • ১৯২৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

  • চট্টগ্রাম
  • যশোর
  • রাজশাহী
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

  • ফেণী
  • নোয়াখালী
  • কুমিল্লা
  • চট্টগ্রাম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?

  • বাংলা সাহিত্য
  • বায়োলজি
  • অর্থনীতি
  • ইতিহাস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতো?

  • ঢাকা
  • চট্টগ্রাম
  • প্যারিস
  • কলকাতা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?

  • ১৯৪০ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৪৬ সালে
  • ১৯৪৭ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]

  • করাচি
  • লন্ডন
  • জার্মানি
  • প্যারিস

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

  • ১৯৬৯
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭২

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

  • ১৯৪৮ সালে
  • ১৯৪৫ সালে
  • ১৯৫২ সালে
  • ১৯৬১ সালে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?' মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?উদ্দীপকের কামরুলের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?কোন বিষয়ে পড়ার জন্য সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কর্মজীবন শুরু হয় যে ইংরেজি দৈনিকে, সেটি কোথা থেকে প্রকাশিত হতোসৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ঢাকা বেতারে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন কত সালে?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি? [রা. বো. '১৯]সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।